আসলাম্মআলাইকুন. শুভ সকাল জানাচ্ছি সবাইকে আর আমন্ত্রণ জানাচ্ছি সংবাদ পর্যালোচনা ভিত্তিক নিয়মিত আয়োজন network টা আজ পত্রিক অনুষ্ঠানের সঙ্গে আছি আমি লুৎফুর রহমান. দর্শক এই অনুষ্ঠান এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা দেশের উল্লেখযোগ্য জাতীয় দৈনিকের অন্যতম শিরোনাম গুলো আপনাদের জানানোর চেষ্টা করি একই সঙ্গে খবরের পেছনে খবর ও তা নিয়ে বিশ্লেষণ শুনি. সংবাদ বিশ্লেষণে আজ আমাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রধান প্রতিবেদক মনিরুল ইসলাম. মঞ্জু ভাই আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি আমাদের অনুষ্ঠানে. ধন্যবাদ আপনাকে. দর্শক আমরা আলোচনায় যাবো তবে যাওয়ার আগে দেশের প্রধান কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের একটু দেখে নেব. ভয়াবহ রূপে নতুন ভেরিয়েন্ট স্বাস্থ্য বিধি মানতে হবে মানাতে হবে দ্রুত ফুসফুস সংক্রমিত হচ্ছে প্রয়োজন হচ্ছে অক্সিজেন দানে আছে প্রধানমন্ত্রীর ডিএইট শীর্ষ সম্মেলনে ভার্চুয়ালে অংশ নেবেন আজ তার ডানে অ্যাসে বাঘ যুদ্ধ আর সহিংসতায় উত্তেজনা তুঙ্গে মমতাকে ঠেকাতে মরিয়া মোদী অমিত সহিংসতা এ পর্যন্ত নিহত তিন ভোট এলেই পুলিশ BJP হয়ে যায় মমতার অভিযোগ মমতাকে EC এর শো cause তার নিচে আছে শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের তীব্র সংকট বিপুল ক্ষতির মুখে উদ্যোক্তারা জরুরি ব্যবস্থা নিতে তিতাসকে BTMA এর চিঠি. মাঠ প্রশাসনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে বলছে প্রথম আলো সরকারি কার্যালয়ে হামলা সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনায় UNO এবং AC land এর নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন জনপ্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা. ডনে একমাসে এত রোগী আগে বাড়েনি করোনা ভাইরাস প্রসঙ্গ, সংক্রমণের তেরোতম মাস পূর্ণ হচ্ছে আজ দেশের চৌষট্টি জেলার মধ্যে ছেচল্লিশটি জেলাই এখন সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে. বায়ে আছে নিহতের সংখ্যা নিহতের সংখ্যা কত তেরো পনেরো নাস হলো. ব্রাহ্মণবাড়িয়া হিংস্রতা. সরকারি হিসেবে তিনদিনে নিহত তেরো হেফাজতের তালিকায় পনেরো, দুই তালিকায় গড়মিল, চারজন, পরিবারগুলোর. পরিবারগুলোর দাবি, গুলিতে মারা গেছে সবাই. যুগান্তর বলছে, চব্বিশ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ চিহ্নিত, সাত হাজার ছয়শো ছাব্বিশ মৃত্যু, তেষট্টি, দেশের টানা চার দিন শনাক্ত, সাত হাজারের উপরে. তার দানে আছে স্বাস্থবিধি উপেক্ষার ভয়, উপেক্ষার ভয়ঙ্কর রূপে করোনা মধ্য এপ্রিলে আরো বাড়ার সংখ্যা highlights এ বলা হচ্ছে, দুরাবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে বান আসতে হলে আঠারো দফা আঠেরোর নির্দেশনা মানতে হবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছেন, দেশের এই মুহূর্তে সামগ্রিক পরিবেশ সংক্রমণ বৃদ্ধিতে সহায়ক অধ্যাপক নজরুল ইসলামের ভাষ্য. েন লকডাউনের তৃতীয় দিনে গণপরিবহন চালু ঢাকায় যাত্রী সংকট চট্টগ্রামে ভিড়. মোটর বাইক ছাড়া ওভারের রাইট শেয়ারিং চালু আজ মাস্ক পড়া ও সামরিক সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই. সমকাল অনিশ্চয়তা শুরু হচ্ছে টীকার. দ্বিতীয় ডোজ, আগেই বিকল্প উদ্যোগ প্রয়োজন ছিল মত বিশেষজ্ঞদের. নিচের পাশাপাশি আছে সাওথায় উস্কানি ছিল আওয়ামী লীগের একাংশেরও মামলাসহ চতুর্মুখী চাপে মামুনুল শিশু বক্তার বিয়ে নিয়েও ঘাপলা. কণ্ঠস্বাস্থ্য বিধি না মানলে বিপদ করোনা মোকাবিলায় নিজেকে নিজে সুরক্ষার প্রস্তুতি রাখতে হবে স্বাস্থবিধি মেনে চলা নিজ অবস্থানে নিজ অবস্থানে অবস্থান থেকে রাখতে হবে ভূমিকা জীবনের পাশাপাশি জীবিকাকেও গুরুত্ব দিতে হবে চার বিশেষজ্ঞ বলেছেন এসব কথা রোগী উপচে পড়ছে সব হাসপাতালে. হাইলেটসে বলা আছে বেশিরভাগ রোগীরই শ্বাসকষ্ট অনেককে ঘুরতে হচ্ছে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে চোদ্দই এপ্রিল মহামারীতে অ্যা মহাখালীতে দেড় হাজার bed কোভিড সেন্টার চালু হলে সংকট. কিছুটা কমবে হাসপাতালগুলোতে নিজস্ব অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের. সবচেয়ে বায়ে নীচের দিকে আছে. প্রতিবেদন প্রতিবেদনে বাংলাদেশ মত প্রকাশ ঠেকাতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ হচ্ছে. দেশ প্রান্তর দুহাজার কোভিড বেড বাড়ছে. তিন হাসপাতালে সতেরোশো বেড তিন বিশেষায়িত হাসপাতালে তিনশো bed, তিনটি ফিল্ড হাসপাতাল চালুর পরিকল্পনা শয্যার চেয়ে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের. তার ঠিক নিচে আছে হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের প্রধানমন্ত্রীর সাই চেয়েছে পুলিশ যে কোনো সময়ে গ্রেফতার হেফাজত নেতা মামুনুল পুরোনো মামলার নিষ্পত্তি করার নির্দেশ পুলিশ সদর দফতরের তার ডানে আছে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি মসজিদে নামাজের আগে পরে সবার সমাবেশ নয় সব শেষে daily estern লকডাউন এক্সিস্ট only on পেপার, নিচে আছে MTICO bed, hard disk to find তবে আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মানার কিন্তু আসলে বালাই নেই. গতকাল থেকে গণপরিবহন চালু হয়ে গেছে. সবগুলো বিষয়কে মিলিয়ে যদি আপনি একটু শুরু করেন. ধন্যবাদ আপনাকে. আসলে আমাদের বা বর্তমান যে অবস্থা সেই অবস্থা জীবন এবং জীবিকা. এটাই হলো রক্ষা করা এটাই হলো এখনকার আ সরকারের policy, যে জীবনটাও রক্ষা করতে হবে জীবিতও রক্ষা করতে হবে. এই policy কে কেন্দ্র করেই কিন্তু আমাদের শুরু হয়েছে. লকডাউন, লকডাউনকে আমরা আ খবরের কাগজে ভাষায় মিডিয়ার ভাষায় আমরা লকডাউন বলছি সরকার বলছে কঠোর বিধিনিষেধ বা কঠোর নিষেধাজ্ঞা. কিন্তু আমরা মজার ব্যাপার হলো কঠোরতা কোথাও দেখছি না. রাস্তাঘাটে বলেন, সরকারি অফিস-আদালতে বলেন বা জীবন জীবিকার সাথে সংশ্লিষ্ট যত জায়গায় আছে, কঠোরতা কোথাও দিচ্ছি না. কিন্তু আরেকটা বিষয় হল যে আমার সবকিছু কঠোর যদি আমি কঠোর অ্যা কঠোরতা দেখি কিন্তু এর মধ্যে আবার কলকারখানা সব চলবে. বাংলাকে ডেডমি বইমেলা চলবে দোকানপাট চলবে না গণপরিবহন চলবে না আজকে থেকে গণপরিবহন গতকাল থেকে গণপরিবহন চলছে এই যে একটু অবস্থা আসলে শৃঙ্খলা তো কোথাও নাই আমি যে কঠোর নিরাপত্তা কঠোর বিধিনিষেধের কথা বলছি সেইখানেও কিন্তু সুনির্দিষ্ট শৃঙ্খলা জায়গাটা নেই আমি কোনটাকে কঠোর বলবো কোনটাকে কঠোর বলবো না সেই জায়গাটাও নেই আমি বন পরিবহনের আমার অটো রিকশা চলছে রাইসিয়া over toober যা আছে সব চলছে শুধু মোটরসাইকেল টা চলবে না এইটা এইখানেও কিন্তু জীবন জীবিকার বিষয়, মোটরসাইকেলে যখন জীবন জীবিকার বিষয়টা আসছে, মোটরসাইকেলের উপর ভিত্তি করে কিন্তু বহু মানুষ বহু মানুষের জীবন জীবিকা এখন চলছে এটা একটা বিকল্প চাকরির মতো ব্যবসার মতো হয়ে গেছে. এই জায়গাটায় চলবে না. তো আপনি দেখেন যে জীবন জীবিকার প্রশ্ন গুলা সেই জায়গাটায় শৃঙ্খলিত না. প্রশ্নগুলো মানে আ যে বিধি বিধিনিষেধগুলো শৃঙ্খলিত না. সরকারী ভাবে সরকারেও এখন বলছে যে যেভাবে আক্রান্ত হচ্ছে এ আক্রান্ত যদি বাড়তে থাকে, সরকারের পক্ষে হাসপাতালের রোগী সং পূরণ করা সম্ভব না. এটা বাস্তব. বাংলাদেশের যে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে হাসপাতালের যে সক্ষমতা সেই সক্ষমতায় অন্যান্য রুগীর সাথে শুধু পর্নো রোগীকে হ্যান্ডেল করার সক্ষমতা বেড়েছে কিন্তু হাসপাতালের সক্ষমতা বেড়ে বাড়েনি. আমরা মার্চ মাসে March মাস থেকে শুরু করে গত বছরের মাঝখানের যে একটা বছর গেল, এই একটা বছর সময়ের মধ্যে অনেকগুলো হাসপাতালের যেগুলো কোভিডের, dedicated ছিল, এর মধ্যে পাঁচটা হাসপাতালের গড়ে কোভিড ডেডিকেশান কিন্তু তুলে দিয়ে আমরা হাসপাতাল, সাধারণ হাসপাতাল করে ফেলেছি. এখন আবার নতুন করে দুই একটা হাসপাতাল কি কোভিড হাসপাতাল করার চেষ্টা করা হচ্ছে, মহাখালীতে যে আইসোলেশন সেন্টারে যে টেস্টিং সেন্টারটা ছিল সেইটাকে হাসপাতাল করে দেড় হাজার বেডের হাসপাতাল বানানো হবে বলে এখন তোড়জোড় শুরু হয়েছে দু একদিনের মধ্যে হয়তো সেটা চালু হয়ে যাবে. মজার ব্যাপার হলো সবচেয়ে আ দুঃখজনক হলো যে আমাদের হসপিটাল গুলোতে একটা বছর সময়ের মধ্যে আ আইসিইউ বেড বাড়ানো হয়নি. Murd ইউনিট এর পুরে যাবে? কোথা থেকে? Ic bed পুড়ে গেছে, সেই জায়গায়ও কিন্তু সম্পদ আছে. একটা বছর সময়ের মধ্যে হাসপাতাল গুলোতে নিজস্ব অক্সিজেন গঠন করা হয়নি. যে কারণে এই সংকটটা বাড়ছে. এখন অক্সিজেনের যে উৎপাদন সেই উৎপাদনের এই অবস্থা যদি বাড়তে থাকে রোগী. অক্সিজেন দেওয়াটাও কিন্তু ডিফিকাল্ট হয়ে যাবে. সাধারণ মানুষের মধ্যে যে সচেতনতা থাকা উচিত ছিল, যে এইরকম একটা অসুখ এই ভাইরাস আক্রান্ত হলে আমি যেকোনো সময় আক্রান্ত হতে পারি এবং আক্রান্ত হলে আমি মরে যেতে পারি. আমার মৃত্যু অনিবার্য হতে পারে. সেই জায়গাটায় আমাদের ভয়ের মধ্যে ভয়ের কিছু দেখছি না কিন্তু. রাস্তাঘাটে আপনি বের হলে দেখবেন যে এই যে বলা হচ্ছে একদম প্রাথমিক যে শর্ত কথাটা বলা হচ্ছে যে মাস্ক পড়তে হবে সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করে চলতে হবে. মাস্ক পরে মাস্ক পরে আবার মাস্কটা নাক এবং মুখ মুখটাকে খুলে রাখা হয়. কেউ বলে যে এটা গরম লাগছে. আম্মু আমরা গত কয়েকদিন যাবৎ মোবাইল এবং পুলিশের যে তৎপরতা আমরা দেখছি তাতে দেখা যাচ্ছে যে কেউ যদি. মার্কস নেয় বলা হয়. যেহেতু মাস্কটা পকেটে আছে পড়তে ভুলে গেছি. কেউ বলে লাগিয়ে এর জন্য খুলে ফেলেছি. কেউ বলে বাসায় ছিল এটা আনতে ভুলে গেছি. নানা রকম অজুহাত. আমি মো, আমি মরে যাবো আক্রান্ত হলে. আমি আমার মৃত্যু অনিবার্য, এটা জানার পরেও যখন আমি ব্যক্তি পর্যায়ে মাস্ক পরার বিষয়টাকে এত প্রাইমারি ভাবে চিন্তা করি এত অ্যা তৃণমূল পর্যায়ে যদি আমরা চিন্তা করি যে একদম গ্রাম পর্যায়ে গ্রাম পর্যায়ে যাই হোক, গ্রাম পর্যায়ে গ্রামে এখন পর্যন্ত গ্রামে সেভাবে আক্রান্তের বিষয়টা নেই. কিন্তু শহরের যে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ তাদের থেকে করে উচ্চ পর্যায়ে সবার মধ্যেই কিন্তু মাস্ক পড়ার মধ্যে কারো মধ্যে ইতিমধ্যে এক বছরে কেউ ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে গেছে. কেউ আবার ব্যবহার কখনো কখনো করে, কখনো কখনো. এই অবস্থায় কিন্তু আজকে, আজকে বৃহস্পতিবার কিন্তু আরেকটি নির্দেশনা আসার কথা যেহেতু আ আগামী রোববারে এর সাতদিন শেষ হচ্ছে. আজকে আপনার কাছে কি মনে হয়? কি ধরনের নির্দেশনা আসতে পারে? এখন যে অবস্থা চলছে তাতে তো আসলে লকডাউনের লেশমাত্র আমরা দেখতে পাচ্ছি না. সবকিছুই মোটামুটি চলছে. শুধুমাত্র স্কুল, কলেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর মার্কেটগুলি একটু বন্ধ আছে. আর আপনি যেটা বলেছেন কি হবে জানি তবে আমার মনে হচ্ছে যে আজকে হয়তো আ দোকান টোকান খুলে দেওয়ার একটা ব্যবস্থা হয়ে যেতে পারে. দোকান টোকান খুলে দেওয়ার যদি সরকারি ভাবে কোনো ব্যবস্থা না হয় তবে ব্যাবসায়ীদের যে অবস্থা যেভাবে তারা রাস্তায় নামছে সারা দেশে তাতে কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্ত অমান্য করেই দোকানপাট খুলে যাবে. এই জন্য খুলে যাবে গত বছরও কিন্তু এই ব্যবসায়ীরা ঈদের আগে কোনো ব্যবসা করতে পারে নাই. একটা বছর দোকান পাঠ বন্ধ ছিল, ব্যবসা হয় নাই. এবারও যখন দোকানপাটের মালটা লুঠিয়ে, রেডি হয়েছে ঈদের জন্য, তখনও কিন্তু আবার অনেক কসরা চলে আসছে মার্কেট রেটের সব বন্ধ হয়ে গেছে. এই জায়গাটায়ও কিন্তু জীবন জীবিকার প্রশ্ন নিয়ে আছে. ফ্যাক্টরি যদি চলতে পারে, কলকারখানা সবই যদি চলতে পারে গণপরিবহন যদি চলতে পারে বইমেলা যদি চলতে পারে তখন মার্কেট খোলা নিয়েও কিন্তু তারা এখন আর মানবে না. সুতরাং সবকিছু এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যদি আমি জীবন জীবি, জীবন জীবিকাটাকে সামনে রাখি, জীবন জীবিকা কিন্তু সবার জন্যই, আজকে দেখেন রেস্তোরাঁ রেস্তোরাঁর যেই বিষয়টা আছে রেস্তোরাঁ থেকে আপনে আ খাবার নিতে পারবেন, কিন্তু রেস্তোরাঁ থেকে বসে খেতে পারবেন না, বহু রেস্তোরাঁ সেটা মানছে না, তার পাশাপাশি বহু রেস্তোরায় যারা খাবার পরিবেশন করত, বয়-বেয়ারার এই জাতীয় কাজ যারা করতো, তারা কিন্তু বেকার হয়ে গেছে, তাদের কিন্তু চাকরি চলে গেছে. যার যার মত, বাড়ি চলে গেছে. তো সরকারের আসলে একা একক সিদ্ধান্ত নিয়া বা শুধু বিধি নিষেধ দিয়া বর্তমান অবস্থা বা বর্তমান অবস্থার মোকাবিলা করা সম্ভব নয়. যদি ব্যক্তি পর্যায়ে আমরা সবাই সচেতন না হই, যদি ব্যক্তি পর্যায়ে আমি মার্কস আপনার কাছে কি মনে হয় যে এই লকডাউন আ দেওয়ার আগে কি আরো বেশি চিন্তাভাবনা করে, আরো বেশি গবেষণা করে আরো পরিকল্পিতভাবে কি আসলে ব্যাবস্থাগুলি আ নেওয়া উচিত ছিল কিনা? একটু বেশি তাড়াহুড়া হয়ে গিয়েছে কিনা সিদ্ধান্ত গ্রহণ না তাড়াহুড়োটা হয়নি বরং বিলম্বিত হয়েছে বিলম্বিত হয়েছে না আমি বলতাছি তারা যে প্রজ্ঞাপনটা জারি করেছে সরকারের পক্ষ থেকে যে প্রোগ্রামটা সেইখানে কি তারা হুড়ার কোনো বা অসামঞ্জস্যের কোন ছাপ আপনি দেখতে পান কিনা যে চিন্তা ভাবনার কিছু আসলে আ আরেকটু হয়তো সামান্য হীনতা ছিল, আরেকটু হয়তো চিন্তা ভাবনা করে আসলে decision গুলো দেওয়ার উচিত ছিল. এরকম আপনার জি. এই March এর আগের March, মানে এক বছর আগের March, দুই হাজার বিশের যে March. সেই March এও কিন্তু আ সতেরো তারিখ পর্যন্ত নিয়া প্রশাসন সভায় ব্যস্ত ছিল. এই মার্চেও কিন্তু ছাব্বিশে মার্চ পর্যন্ত এই এইটা নিয়েই মুজিবর কর্মসূচীর স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী দিনে সবাই ব্যস্ত ছিল. আসলে তারা তো সরকারের মধ্যে সবাই তো জানছে যে ভিতরে ভিতরে কি হচ্ছে কি পরিমান করোনা আক্রান্ত হচ্ছে কেমন বাড়ছে ছাব্বিশ তারিখ পর্যন্ত সেটা প্রকাশ্যে আসেনি. ছাব্বিশ তারিখের পরে সুবর্ণ জয়ন্তী এবং সভা এবং বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীর প্রোগ্রাম যখন চলে গেল, তখন সরকারের মধ্যে চিন্তা আসলো যে এইটা নিয়ে আসলে এই মুহুর্তে, এখন ভাবা এখন ভাবা দরকার. কর্মসূচি শেষ. এখন ভাবা দরকার. এই ভাবতে গিয়ে এই আ তাড়াহুড়া আমি বলবো না সমন্বয়হীনতার কাজটি হয়নি. সমন্বয়হীনতার কাজটি এই জন্য হয়নি কারণ মাঠের যারা ওই meeting এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে Cabinet থেকে যদি নেতৃত্বে যে ভার্চুয়াল মিটিং টা হয়েছে ওই মিটিংয়ে যারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা সবাই সরকারের সচিব সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা IGP এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন যে সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারা. সেখানে একজন মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা যারা ইয়েনো আছে যারা DC আছে যারা যারা বিভাগীয় কমিশনার আছে সচিবরা যতটা জানেন বা দেখেন একজন ENO একজন DC, একজন জেলা প্রশাসন, মাঠে practically তারা কিন্তু বেশি জানেন, বেশি বোঝেন. আর বাদটা তাদের কাছে. ফোনে জেনে নেওয়া আর practically জেনে নেওয়ার মধ্যে difference আছে. সেই জায়গাটায় আমি মনে করব যে সমন্বিত উদ্যোগটা সেই জায়গাটা চিন্তা করা হয়নি. একটা লকডাউন দিয়ে দিল. আগের থেকে বলা হলো যেটা আপনি নিশ্চয়ই মনে আছে. আগের দিন সকল মন্ত্রী সকল মন্ত্রী বিশেষ করে আমাদের আ সড়ক ও সেতু মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং জন প্রশাসন মন্ত্রী. তারা যখন brief করলেন, তখন তারা যখন meeting এ গেলেন. তখন কিন্তু তারা বললেন যে তারা লকডাউনে যাচ্ছেন. ঠিক তার একদিন পরে একদিন পরে ক্যাবিনেট মিটিং যখন হল ক্যাবিনেট মিটিংএ জনপ্রিয় সেক্রেটারি বললেন যে এটা লকডাউন শব্দ আমরা ব্যবহার করিনি. করেছি কঠোর নিষেধাজ্ঞা. লকডাউন শব্দ কিন্তু চলে গেল, কঠোর নিষেধাজ্ঞা চলে আসবে. কিন্তু মিডিয়াতে আমরা এবং সাধারণ মানুষ আমরা কিন্তু লকডাউনে অভ্যস্ত বলে কঠোর বিধি নিষেধ আপনি যখন বলবেন, তখন সাধ্যগত পরিবর্তন হবে করার character টা একই. এখন একটা বিষয় হচ্ছে যে এখন বর্তমান সময় যেমন এই গত বারো চোদ্দ বছরে বিরোধী দলের হরতাল দেখলা যেমন ঢিলেঢালা হরতাল হয়, হরতালের নামে নামে শুধু ঢিলেঢালার কর্মসূচি পালিত হয়. ঠিক এখনও লকডাউন বা কঠোর বিধিনিষেধ সেইটাও কিন্তু ঢিলেঢালা ভাবেই হচ্ছে. ঢিলেঢালা ভাবে যখন হবে এই জাতীয় কর্মসূচি তখন মানুষ কিন্তু কিছু মানবে না. মানুষকে আসলে মানানোর একটা বিষয় ছিল আমরা কিন্তু এখন বানানো তো আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কাউকে তেমন ভাবে সক্রিয়তা দেখিনি. তার আগে আমরা যেটা দেখেছি লকডাউন কঠোর কর্মসূচির আগে তারা কিছু মাস্ক বিতরণ করেছেন রাস্তায় নেমে. এটাতে আসলে কতটা কি হয়েছে সেটা আমরা সবাই অ্যা দেখতে পাচ্ছি. যে আমরা একটি বিরতি নিয়ে তারপর আপনার কাছে আসব. সেখানে আমরা টিকার প্রসঙ্গটি নিয়ে আলোচনা করব. আজ থেকে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় দোস সেই প্রসঙ্গটি নিয়ে আমরা আলোচনা করব. দর্শক সময় হলো একটি বিরতির. আরো আলোচনা নিয়ে ফিরছি একটু পরেই. আশা করি আমাদের সঙ্গে থাকবেন. মানুষের জীবন কি গল্পের মত? আমার জীবনে আমি যা চেয়েছি. আমি অর্জন করেছি, না দোষ ছিনিয়ে এনেছি. এলাকায় কোন নতুন সুন্দরী মায়া আসলে তোর লিস্টের মধ্যে অটো আপডেট কইরা দিবি. তুই তো একটা পেট্রোল, তুই তো একটা ফিল্ম চোর. ওই লোকটাকে থাপ্পড় মারলা কেন? ছমাস থেকে ধরবো ওইটাকে চাপা. আব্বা? বৌ এর office এ আগুন নিয়ে চাকরি পাওয়ার তো ঠিক হবে না. Oh my god feam জামাই গাড়ির সাথে কিনে নিয়ে আইছে. আমার স্বামীকে বিয়ে করে, আমাকে মা ডাকা হচ্ছে না? প্রত্যেক বছর আমাদের একটা দিন আসে. আমি আমার পুরোটা জীবন তোমাকে দিয়ে দেবো. তুমি শুধু তোমার জীবন থেকে দুটো বছর আমাকে দাও. খালি চোখে যা দেখা যায় তা কিন্তু সব সময় ঠিক নেই. যার ভালোবাসা নিয়ে খেলা করে, তারা কখনো সত্যিকারের ভালোবাসা পায় না. আমি কথা বলবো না. আরে বাবা এটা খাওয়ার সময় আমার মেয়ে মানুষের সঙ্গপ্রয়োজন হয়. ভয়ে মারতে হবে নয়তো মোর হতে হবে সবাই ওই লোকটাকে থাপ্পড় মারলা কেন? ছমাস থেকে ধরবো ওইটাকে চাপা. আপা? বৌয়ের office এ হাত তুললে চাকরি পাওয়ার তো ঠিক হবে না. Oh my গাড়ির সাথে কিনে নিয়ে আইসে. আমার স্বামীকে বিয়ে করে আমাকে মা ডাকা হচ্ছে মা? প্রত্যেক বছর আমাদের একটা দিন আসে. আমি আমার পুরোটা জীবন তোমাকে দিয়ে দেবো. তুমি শুধু তোমার জীবন থেকে দুটো বছর আমাকে দাও. খালি চোখে যা দেখা যায় তাকে তো সবসময় ঠিক নেই. যারা ভালোবাসা নিয়ে খেলা করে, তারা কখনো সত্যিকারের ভালোবাসা পায় না. মদ খাবো না. আরে বাবা এটা খাওয়ার সময় আমার মেয়ে মানুষের সঙ্গ প্রয়োজন হয়. ভয়ে মারতে হবে নয়তো মোর য়ী মজুদ আছে ছেচল্লিশ লাখ একত্রিশ হাজার দুইশ সাতানব্বই ডোজ ঘাটতি আছে নয় হাজার নয় লাখ সাইতিরিশ হাজার চারশো ছয় ডোজ এই অবস্থায় ভারত টিকা রপ্তানি আপাতত বন্ধ রেখেছে আপনার কাছে কি মনে হয়? এই dose দিতে দিতে সবাই পাবে কিনা শেষ পর্যন্ত কি আমরা বিদেশ থেকে আনতে পারবো কিনা বা আমাদের কি পরিকল্পনা আছে বা হওয়া উচিত. ছোট্ট করে যদি আলোচনাটা করেন আমরা আসলে প্রত্যাশা রাখি যে আমরা সবাই টিকা পাবো. এরকম একটা প্রত্যাশা আমরা মানে রাখি. বাস্তবতা যে বিষয়টা সেটা হলো যে, আমরা সেরামের বাইরে অন্য কোনো সূত্রের দিকে কিন্তু এই পর্যন্ত তাকায়নি. সেরামের সাথে ভ্যাকসিন পো এবং সেরাম, সরকার মিলে একটা ট্রাইএঙ্গেলটি যেটা হলো, স্ট্রিট ত্রিপক্ষ ত্রিপক্ষ যেই টিটিতে যেটা গেল সেটা কিন্তু আসলে আ বিশেষজ্ঞরা বলছে এবং এই সেক্টরে যারা কাজ করে তাঁরা বলছে যে আসলে আ দেশের মানুষের স্বার্থ দেশের টিকা দেওয়ার বিষয়টার পাশাপাশি সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, ভ্যাকসিন পোর ব্যবসা. এর বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা এবং এই সেক্টরে যারা কাজ করে তাদের বক্তব্য যে ভ্যাকসিম্পল ব্যবসাকেই গুরুত্ব দেওয়ার কারণে আসলে সরকার অন্য কোনো sector এ অন্য কোনো সোর্সের দিকে এমনি মুখে বলেছে যে আমরা বিভিন্ন অন্যান্য সূত্র থেকে টিকা না আর ভ্যাকসিন আনার জন্য আমরা চেষ্টা করছি কিন্তু সেই চেষ্টাটা অনেকটাই দায়সারা ভাবে করা সেকারণেই আমাদের অন্য কোনো সূত্র থেকে আমাদের ভেক্সিন আনার এখন পর্যন্ত কোনো cheque মানে সে অর্থে কাগজে কলমে আ কোনো output নাই. এখন আমাদের সেরামটাই হলো একমাত্র ভরসা. সেরম একটি কাজ থেকে শুরু হচ্ছে কিন্তু জানিনা এই system টা যেটা করা হয়েছে যে অবশ্যই আপনাকে আমি বা SMS আসতে হবে. আপনার ticket dose যে আজকে যে আপনি দিবেন আপনাকে SMS আসতে হবে, SMS টা দেখাতে হবে. এইটা মাস পরে আমার date ছিল. আমি ওই সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের আমার পরিচিত আ ডাক্তারদের সাথে ডাক্তারের সাথে কথা বলেছি. উনি আমাকে জানালেন যে না আপনাকে দুই মাস পরে আসতে হবে এবং আপনার একটা SMS যাবে. SMS ছাড়া আইসেন না. তো এখন নিয়ম করেছে যে দ্বিতীয় dose এর জন্য SMS লাগবে. হ্যাঁ, দ্বিতীয় dose এর জন্য SMS লাগবে. সেটা আজকে থেকে শুরু হয়েছে এবং কতজন SMS পেয়েছে সেটা জানি না. এখন আমারটা আসার পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করছি যে SMS যদি আগের দিন ছোট্ট করে একটু জিজ্ঞেস করতে পারি, তার মানে কি এখানে কি টিকার যেহেতু সংক আছে, একটু কড়াকড়ি করার চেষ্টা করছে. স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়. একটু করা একটু একটু করাকরি করা, একটু চাপে রাখা, যাতে, যাদের SMS নাই, তারা ছাড়া যাতে অন্য কেউ, গিয়েই কাগজটা দিয়ে, পারে বা টিকাটা না নিতে, second লোক, যদি দোষ না নিতে পারে, এরকম বোধহয় বিষয়টা. তবে আ, প্রত্যাশা তো আমরা করতেই পারি, যে আমরা অন্য বলা হচ্ছে পৃথিবীর অনেক দেশ এই পর্যন্ত ভ্যাকসিন দিতে পারে নাই সেই জায়গায় আমরা ভ্যাকসিনটা দিয়ে ফেলেছি. প্রথম দোষ আমরা শেষ করেছি দ্বিতীয় rules আজকের থেকে শুরু হয়েছে সকল মানুষ টিকা পাক এটা প্রত্যাশা করি যে আমরা আমরা এই প্রত্যাশাটা ব্যবসাটা যাতে নির্দিষ্ট একটা কোম্পানির উপর না চলে যায় জনগণ যাতে priority পায়, ব্যবসাটা যাতে priority না পায় এই বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে একটু রাখার চেষ্টা করবে বা স্বচ্ছতা রাখবে সেটাই আমরা আশা করি, বিশেষ করে এই আ দূর্যোগ দূর বিপাকের দিনে, আমরা একটু আর একটু বিষয় নিয়ে একটু আলোচনা করতে চাই সমকাল যদি বলছে সালতার উসকানি ছিল আওয়ামী লীগ সালতার উস্কানি ছিল. আওয়ামী র একাংশেরও মামলা সহ চতুর্মুখী চাপে মামুন ও শিশু বক্তার বিয়ে নিয়েও ঘাপলা. এরকম আ সবগুলোই পত্রিকাতেই আছে আমি আরেকটু পড়তে চাই দেশ সুপ্রান্তর থেকে হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের ধরতে প্রধানমন্ত্রী সাই চেয়েছে পুলিশ. যে কোনো সময় গ্রেপ্তার হেফাজতদাতা মামুনুল, পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি করার নির্দেশ পুলিশ সদরদপ্তরের দুটোকে মিলিয়ে যদি একটু আপনি আলোচনাটা করেন আমাদের শেষ তিন মিনিট পাবো আমরা. আসলে দেখেন এই যে হেফাজতের যে নেতা যে যে কান্ডটি করেছেন সেটা আমরা যদি ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলার দিকে তাকাই ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলো আসলে আমার বিবেচনা এটা আমার ব্যক্তিগত বিবেচনা সেটা হল আমার বিবেচনায় ধর্মীয় রাজনৈতিক দল গুলা এটা একটা স্বর্ণলতার মতো তারা নিজেরা দাঁড়াতে পারে না তারা হয় BNP র উপর ভয় করতে হয় না হয় আওয়ামী লীগের উপর ভর করতে হয়. এই যে একটা অবস্থা আজকে আমরা ধর্মীয় রাজনৈতিক দল গুলা বাংলাদেশে যে বিস্তার ঘটছে এইটা কেউ না কেউ মরা তাদেরকে আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছি সেই কারণেই কিন্তু এই ঘটনাটা ঘটেছে হেফাজতের বিষয়টা কিন্তু একই একই অবস্থা. হেফাজত ছিল সরকারের আশ্রয়ের প্রশ্রয়ের একটি রাজনীতি সংগঠন. সে কারণেই সরকারের বিরুদ্ধে যত রকম ইসলামিক বিভিন্ন ইসলামিক আ অনুষ্ঠানে যত বক্তৃতা হয়েছে সরকারের বিরুদ্ধে প্রায় eighty percent বক্তৃতা হয়েছে হেফাজতের নেতা কর্মীদের দ্বারা. আপনার BNP পন্থী কোনো রাজনৈতিক নেতা যদি হেফাজতের বা কোনো ইসলামিক সংগঠনে ইসলামিক জলসা বক্তিতা করে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়ে যেত. তাই গ্রেফতার করা ইসলামিক জলসাগুলাতে যে সমস্ত বক্তৃতা হচ্ছে সেই বক্তৃতা গুলো monitoring পর্যন্ত নাই. যে সরকারের বিরুদ্ধে কি কি বক্তৃতা হচ্ছে? এখন বক্তৃতা হচ্ছে কেন? এখন বক্তৃতা হচ্ছে সরকারের ঘাড়ের ওপর পড়ে গেছে. যখন ঘাড়ের উপর বিষ বাস্প ফেলে, তখন হুঁশ হয়েছে হেফাজতের বিরুদ্ধে গত এই পর্যন্ত অনেকগুলো মামলা হয়েছে. মামলা অনেকগুলো মামলা হয়েছে. গতকাল রাতে হেফাজতের নেতা মামুনকে গ্রেফতার করা হবে এরকম একটা খবর কিন্তু মিডিয়াতে চাওর হয়ে গেছে. এবং মহম্মদপুরের হেফাজতের যে আস্তানা সেই আস্তানাই কিন্তু, খবর বিভিন্ন মিডিয়ার কর্মীরা অনেক রাত পর্যন্ত সে জায়গায় ছিল. তো মামলা হলে অন্যদের অন্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার সাথে সাথে গ্রেফতার করে তাদেরকে একদম ডিবিতে নিয়ে বা এমনি পুলিশ হেফাজতে নিয়ে ঐদিনই তাদেরকে কোর্টে নিয়ে দশ বারো দিনের রিমান্ড চেয়ে রিমান্ডে নিয়ে রিমান্ড শুরু হয়ে যায় কিন্তু আজকে এই ঘটনা যদি বিএনপি করতো বা অন্য রাজনৈতিক দল করতো. ইভেন সরকারের সাথে মোদিভাই আমাদের শেষ করতে হবে. সরকারের সাথে যুক্ত যা সৎ অথবা ম্যানেজমেন্ট পার্টি ওয়ার্কার্স পার্টিও তো করতো. তাও এই এরকম ছাড় পেতো না. সারটা দিতে ಧನ್ಯವಾದ দেখতে পান, আর দেখার আমন্ত্রণ রইলো, করোনা কালে মাস্ক পরে, শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে নিরাপদে থাকুন, আর RTV সঙ্গে থাকুন, ধন্যবাদ সবাইকে. আজ পত্রিকায় (০৮ এপ্রিল ২০২১), Rtv । আরটিভি, 479849363213350, Download Facebook video and save them to your devices to play anytime for free"> আসলাম্মআলাইকুন. শুভ সকাল জানাচ্ছি সবাইকে আর আমন্ত্রণ জানাচ্ছি সংবাদ পর্যালোচনা ভিত্তিক নিয়মিত আয়োজন network টা আজ পত্রিক অনুষ্ঠানের সঙ্গে আছি আমি লুৎফুর রহমান. দর্শক এই অনুষ্ঠান এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা দেশের উল্লেখযোগ্য জাতীয় দৈনিকের অন্যতম শিরোনাম গুলো আপনাদের জানানোর চেষ্টা করি একই সঙ্গে খবরের পেছনে খবর ও তা নিয়ে বিশ্লেষণ শুনি. সংবাদ বিশ্লেষণে আজ আমাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রধান প্রতিবেদক মনিরুল ইসলাম. মঞ্জু ভাই আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি আমাদের অনুষ্ঠানে. ধন্যবাদ আপনাকে. দর্শক আমরা আলোচনায় যাবো তবে যাওয়ার আগে দেশের প্রধান কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের একটু দেখে নেব. ভয়াবহ রূপে নতুন ভেরিয়েন্ট স্বাস্থ্য বিধি মানতে হবে মানাতে হবে দ্রুত ফুসফুস সংক্রমিত হচ্ছে প্রয়োজন হচ্ছে অক্সিজেন দানে আছে প্রধানমন্ত্রীর ডিএইট শীর্ষ সম্মেলনে ভার্চুয়ালে অংশ নেবেন আজ তার ডানে অ্যাসে বাঘ যুদ্ধ আর সহিংসতায় উত্তেজনা তুঙ্গে মমতাকে ঠেকাতে মরিয়া মোদী অমিত সহিংসতা এ পর্যন্ত নিহত তিন ভোট এলেই পুলিশ BJP হয়ে যায় মমতার অভিযোগ মমতাকে EC এর শো cause তার নিচে আছে শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের তীব্র সংকট বিপুল ক্ষতির মুখে উদ্যোক্তারা জরুরি ব্যবস্থা নিতে তিতাসকে BTMA এর চিঠি. মাঠ প্রশাসনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে বলছে প্রথম আলো সরকারি কার্যালয়ে হামলা সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনায় UNO এবং AC land এর নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন জনপ্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা. ডনে একমাসে এত রোগী আগে বাড়েনি করোনা ভাইরাস প্রসঙ্গ, সংক্রমণের তেরোতম মাস পূর্ণ হচ্ছে আজ দেশের চৌষট্টি জেলার মধ্যে ছেচল্লিশটি জেলাই এখন সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে. বায়ে আছে নিহতের সংখ্যা নিহতের সংখ্যা কত তেরো পনেরো নাস হলো. ব্রাহ্মণবাড়িয়া হিংস্রতা. সরকারি হিসেবে তিনদিনে নিহত তেরো হেফাজতের তালিকায় পনেরো, দুই তালিকায় গড়মিল, চারজন, পরিবারগুলোর. পরিবারগুলোর দাবি, গুলিতে মারা গেছে সবাই. যুগান্তর বলছে, চব্বিশ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ চিহ্নিত, সাত হাজার ছয়শো ছাব্বিশ মৃত্যু, তেষট্টি, দেশের টানা চার দিন শনাক্ত, সাত হাজারের উপরে. তার দানে আছে স্বাস্থবিধি উপেক্ষার ভয়, উপেক্ষার ভয়ঙ্কর রূপে করোনা মধ্য এপ্রিলে আরো বাড়ার সংখ্যা highlights এ বলা হচ্ছে, দুরাবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে বান আসতে হলে আঠারো দফা আঠেরোর নির্দেশনা মানতে হবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছেন, দেশের এই মুহূর্তে সামগ্রিক পরিবেশ সংক্রমণ বৃদ্ধিতে সহায়ক অধ্যাপক নজরুল ইসলামের ভাষ্য. েন লকডাউনের তৃতীয় দিনে গণপরিবহন চালু ঢাকায় যাত্রী সংকট চট্টগ্রামে ভিড়. মোটর বাইক ছাড়া ওভারের রাইট শেয়ারিং চালু আজ মাস্ক পড়া ও সামরিক সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই. সমকাল অনিশ্চয়তা শুরু হচ্ছে টীকার. দ্বিতীয় ডোজ, আগেই বিকল্প উদ্যোগ প্রয়োজন ছিল মত বিশেষজ্ঞদের. নিচের পাশাপাশি আছে সাওথায় উস্কানি ছিল আওয়ামী লীগের একাংশেরও মামলাসহ চতুর্মুখী চাপে মামুনুল শিশু বক্তার বিয়ে নিয়েও ঘাপলা. কণ্ঠস্বাস্থ্য বিধি না মানলে বিপদ করোনা মোকাবিলায় নিজেকে নিজে সুরক্ষার প্রস্তুতি রাখতে হবে স্বাস্থবিধি মেনে চলা নিজ অবস্থানে নিজ অবস্থানে অবস্থান থেকে রাখতে হবে ভূমিকা জীবনের পাশাপাশি জীবিকাকেও গুরুত্ব দিতে হবে চার বিশেষজ্ঞ বলেছেন এসব কথা রোগী উপচে পড়ছে সব হাসপাতালে. হাইলেটসে বলা আছে বেশিরভাগ রোগীরই শ্বাসকষ্ট অনেককে ঘুরতে হচ্ছে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে চোদ্দই এপ্রিল মহামারীতে অ্যা মহাখালীতে দেড় হাজার bed কোভিড সেন্টার চালু হলে সংকট. কিছুটা কমবে হাসপাতালগুলোতে নিজস্ব অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের. সবচেয়ে বায়ে নীচের দিকে আছে. প্রতিবেদন প্রতিবেদনে বাংলাদেশ মত প্রকাশ ঠেকাতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ হচ্ছে. দেশ প্রান্তর দুহাজার কোভিড বেড বাড়ছে. তিন হাসপাতালে সতেরোশো বেড তিন বিশেষায়িত হাসপাতালে তিনশো bed, তিনটি ফিল্ড হাসপাতাল চালুর পরিকল্পনা শয্যার চেয়ে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের. তার ঠিক নিচে আছে হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের প্রধানমন্ত্রীর সাই চেয়েছে পুলিশ যে কোনো সময়ে গ্রেফতার হেফাজত নেতা মামুনুল পুরোনো মামলার নিষ্পত্তি করার নির্দেশ পুলিশ সদর দফতরের তার ডানে আছে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি মসজিদে নামাজের আগে পরে সবার সমাবেশ নয় সব শেষে daily estern লকডাউন এক্সিস্ট only on পেপার, নিচে আছে MTICO bed, hard disk to find তবে আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মানার কিন্তু আসলে বালাই নেই. গতকাল থেকে গণপরিবহন চালু হয়ে গেছে. সবগুলো বিষয়কে মিলিয়ে যদি আপনি একটু শুরু করেন. ধন্যবাদ আপনাকে. আসলে আমাদের বা বর্তমান যে অবস্থা সেই অবস্থা জীবন এবং জীবিকা. এটাই হলো রক্ষা করা এটাই হলো এখনকার আ সরকারের policy, যে জীবনটাও রক্ষা করতে হবে জীবিতও রক্ষা করতে হবে. এই policy কে কেন্দ্র করেই কিন্তু আমাদের শুরু হয়েছে. লকডাউন, লকডাউনকে আমরা আ খবরের কাগজে ভাষায় মিডিয়ার ভাষায় আমরা লকডাউন বলছি সরকার বলছে কঠোর বিধিনিষেধ বা কঠোর নিষেধাজ্ঞা. কিন্তু আমরা মজার ব্যাপার হলো কঠোরতা কোথাও দেখছি না. রাস্তাঘাটে বলেন, সরকারি অফিস-আদালতে বলেন বা জীবন জীবিকার সাথে সংশ্লিষ্ট যত জায়গায় আছে, কঠোরতা কোথাও দিচ্ছি না. কিন্তু আরেকটা বিষয় হল যে আমার সবকিছু কঠোর যদি আমি কঠোর অ্যা কঠোরতা দেখি কিন্তু এর মধ্যে আবার কলকারখানা সব চলবে. বাংলাকে ডেডমি বইমেলা চলবে দোকানপাট চলবে না গণপরিবহন চলবে না আজকে থেকে গণপরিবহন গতকাল থেকে গণপরিবহন চলছে এই যে একটু অবস্থা আসলে শৃঙ্খলা তো কোথাও নাই আমি যে কঠোর নিরাপত্তা কঠোর বিধিনিষেধের কথা বলছি সেইখানেও কিন্তু সুনির্দিষ্ট শৃঙ্খলা জায়গাটা নেই আমি কোনটাকে কঠোর বলবো কোনটাকে কঠোর বলবো না সেই জায়গাটাও নেই আমি বন পরিবহনের আমার অটো রিকশা চলছে রাইসিয়া over toober যা আছে সব চলছে শুধু মোটরসাইকেল টা চলবে না এইটা এইখানেও কিন্তু জীবন জীবিকার বিষয়, মোটরসাইকেলে যখন জীবন জীবিকার বিষয়টা আসছে, মোটরসাইকেলের উপর ভিত্তি করে কিন্তু বহু মানুষ বহু মানুষের জীবন জীবিকা এখন চলছে এটা একটা বিকল্প চাকরির মতো ব্যবসার মতো হয়ে গেছে. এই জায়গাটায় চলবে না. তো আপনি দেখেন যে জীবন জীবিকার প্রশ্ন গুলা সেই জায়গাটায় শৃঙ্খলিত না. প্রশ্নগুলো মানে আ যে বিধি বিধিনিষেধগুলো শৃঙ্খলিত না. সরকারী ভাবে সরকারেও এখন বলছে যে যেভাবে আক্রান্ত হচ্ছে এ আক্রান্ত যদি বাড়তে থাকে, সরকারের পক্ষে হাসপাতালের রোগী সং পূরণ করা সম্ভব না. এটা বাস্তব. বাংলাদেশের যে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে হাসপাতালের যে সক্ষমতা সেই সক্ষমতায় অন্যান্য রুগীর সাথে শুধু পর্নো রোগীকে হ্যান্ডেল করার সক্ষমতা বেড়েছে কিন্তু হাসপাতালের সক্ষমতা বেড়ে বাড়েনি. আমরা মার্চ মাসে March মাস থেকে শুরু করে গত বছরের মাঝখানের যে একটা বছর গেল, এই একটা বছর সময়ের মধ্যে অনেকগুলো হাসপাতালের যেগুলো কোভিডের, dedicated ছিল, এর মধ্যে পাঁচটা হাসপাতালের গড়ে কোভিড ডেডিকেশান কিন্তু তুলে দিয়ে আমরা হাসপাতাল, সাধারণ হাসপাতাল করে ফেলেছি. এখন আবার নতুন করে দুই একটা হাসপাতাল কি কোভিড হাসপাতাল করার চেষ্টা করা হচ্ছে, মহাখালীতে যে আইসোলেশন সেন্টারে যে টেস্টিং সেন্টারটা ছিল সেইটাকে হাসপাতাল করে দেড় হাজার বেডের হাসপাতাল বানানো হবে বলে এখন তোড়জোড় শুরু হয়েছে দু একদিনের মধ্যে হয়তো সেটা চালু হয়ে যাবে. মজার ব্যাপার হলো সবচেয়ে আ দুঃখজনক হলো যে আমাদের হসপিটাল গুলোতে একটা বছর সময়ের মধ্যে আ আইসিইউ বেড বাড়ানো হয়নি. Murd ইউনিট এর পুরে যাবে? কোথা থেকে? Ic bed পুড়ে গেছে, সেই জায়গায়ও কিন্তু সম্পদ আছে. একটা বছর সময়ের মধ্যে হাসপাতাল গুলোতে নিজস্ব অক্সিজেন গঠন করা হয়নি. যে কারণে এই সংকটটা বাড়ছে. এখন অক্সিজেনের যে উৎপাদন সেই উৎপাদনের এই অবস্থা যদি বাড়তে থাকে রোগী. অক্সিজেন দেওয়াটাও কিন্তু ডিফিকাল্ট হয়ে যাবে. সাধারণ মানুষের মধ্যে যে সচেতনতা থাকা উচিত ছিল, যে এইরকম একটা অসুখ এই ভাইরাস আক্রান্ত হলে আমি যেকোনো সময় আক্রান্ত হতে পারি এবং আক্রান্ত হলে আমি মরে যেতে পারি. আমার মৃত্যু অনিবার্য হতে পারে. সেই জায়গাটায় আমাদের ভয়ের মধ্যে ভয়ের কিছু দেখছি না কিন্তু. রাস্তাঘাটে আপনি বের হলে দেখবেন যে এই যে বলা হচ্ছে একদম প্রাথমিক যে শর্ত কথাটা বলা হচ্ছে যে মাস্ক পড়তে হবে সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করে চলতে হবে. মাস্ক পরে মাস্ক পরে আবার মাস্কটা নাক এবং মুখ মুখটাকে খুলে রাখা হয়. কেউ বলে যে এটা গরম লাগছে. আম্মু আমরা গত কয়েকদিন যাবৎ মোবাইল এবং পুলিশের যে তৎপরতা আমরা দেখছি তাতে দেখা যাচ্ছে যে কেউ যদি. মার্কস নেয় বলা হয়. যেহেতু মাস্কটা পকেটে আছে পড়তে ভুলে গেছি. কেউ বলে লাগিয়ে এর জন্য খুলে ফেলেছি. কেউ বলে বাসায় ছিল এটা আনতে ভুলে গেছি. নানা রকম অজুহাত. আমি মো, আমি মরে যাবো আক্রান্ত হলে. আমি আমার মৃত্যু অনিবার্য, এটা জানার পরেও যখন আমি ব্যক্তি পর্যায়ে মাস্ক পরার বিষয়টাকে এত প্রাইমারি ভাবে চিন্তা করি এত অ্যা তৃণমূল পর্যায়ে যদি আমরা চিন্তা করি যে একদম গ্রাম পর্যায়ে গ্রাম পর্যায়ে যাই হোক, গ্রাম পর্যায়ে গ্রামে এখন পর্যন্ত গ্রামে সেভাবে আক্রান্তের বিষয়টা নেই. কিন্তু শহরের যে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ তাদের থেকে করে উচ্চ পর্যায়ে সবার মধ্যেই কিন্তু মাস্ক পড়ার মধ্যে কারো মধ্যে ইতিমধ্যে এক বছরে কেউ ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে গেছে. কেউ আবার ব্যবহার কখনো কখনো করে, কখনো কখনো. এই অবস্থায় কিন্তু আজকে, আজকে বৃহস্পতিবার কিন্তু আরেকটি নির্দেশনা আসার কথা যেহেতু আ আগামী রোববারে এর সাতদিন শেষ হচ্ছে. আজকে আপনার কাছে কি মনে হয়? কি ধরনের নির্দেশনা আসতে পারে? এখন যে অবস্থা চলছে তাতে তো আসলে লকডাউনের লেশমাত্র আমরা দেখতে পাচ্ছি না. সবকিছুই মোটামুটি চলছে. শুধুমাত্র স্কুল, কলেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর মার্কেটগুলি একটু বন্ধ আছে. আর আপনি যেটা বলেছেন কি হবে জানি তবে আমার মনে হচ্ছে যে আজকে হয়তো আ দোকান টোকান খুলে দেওয়ার একটা ব্যবস্থা হয়ে যেতে পারে. দোকান টোকান খুলে দেওয়ার যদি সরকারি ভাবে কোনো ব্যবস্থা না হয় তবে ব্যাবসায়ীদের যে অবস্থা যেভাবে তারা রাস্তায় নামছে সারা দেশে তাতে কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্ত অমান্য করেই দোকানপাট খুলে যাবে. এই জন্য খুলে যাবে গত বছরও কিন্তু এই ব্যবসায়ীরা ঈদের আগে কোনো ব্যবসা করতে পারে নাই. একটা বছর দোকান পাঠ বন্ধ ছিল, ব্যবসা হয় নাই. এবারও যখন দোকানপাটের মালটা লুঠিয়ে, রেডি হয়েছে ঈদের জন্য, তখনও কিন্তু আবার অনেক কসরা চলে আসছে মার্কেট রেটের সব বন্ধ হয়ে গেছে. এই জায়গাটায়ও কিন্তু জীবন জীবিকার প্রশ্ন নিয়ে আছে. ফ্যাক্টরি যদি চলতে পারে, কলকারখানা সবই যদি চলতে পারে গণপরিবহন যদি চলতে পারে বইমেলা যদি চলতে পারে তখন মার্কেট খোলা নিয়েও কিন্তু তারা এখন আর মানবে না. সুতরাং সবকিছু এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যদি আমি জীবন জীবি, জীবন জীবিকাটাকে সামনে রাখি, জীবন জীবিকা কিন্তু সবার জন্যই, আজকে দেখেন রেস্তোরাঁ রেস্তোরাঁর যেই বিষয়টা আছে রেস্তোরাঁ থেকে আপনে আ খাবার নিতে পারবেন, কিন্তু রেস্তোরাঁ থেকে বসে খেতে পারবেন না, বহু রেস্তোরাঁ সেটা মানছে না, তার পাশাপাশি বহু রেস্তোরায় যারা খাবার পরিবেশন করত, বয়-বেয়ারার এই জাতীয় কাজ যারা করতো, তারা কিন্তু বেকার হয়ে গেছে, তাদের কিন্তু চাকরি চলে গেছে. যার যার মত, বাড়ি চলে গেছে. তো সরকারের আসলে একা একক সিদ্ধান্ত নিয়া বা শুধু বিধি নিষেধ দিয়া বর্তমান অবস্থা বা বর্তমান অবস্থার মোকাবিলা করা সম্ভব নয়. যদি ব্যক্তি পর্যায়ে আমরা সবাই সচেতন না হই, যদি ব্যক্তি পর্যায়ে আমি মার্কস আপনার কাছে কি মনে হয় যে এই লকডাউন আ দেওয়ার আগে কি আরো বেশি চিন্তাভাবনা করে, আরো বেশি গবেষণা করে আরো পরিকল্পিতভাবে কি আসলে ব্যাবস্থাগুলি আ নেওয়া উচিত ছিল কিনা? একটু বেশি তাড়াহুড়া হয়ে গিয়েছে কিনা সিদ্ধান্ত গ্রহণ না তাড়াহুড়োটা হয়নি বরং বিলম্বিত হয়েছে বিলম্বিত হয়েছে না আমি বলতাছি তারা যে প্রজ্ঞাপনটা জারি করেছে সরকারের পক্ষ থেকে যে প্রোগ্রামটা সেইখানে কি তারা হুড়ার কোনো বা অসামঞ্জস্যের কোন ছাপ আপনি দেখতে পান কিনা যে চিন্তা ভাবনার কিছু আসলে আ আরেকটু হয়তো সামান্য হীনতা ছিল, আরেকটু হয়তো চিন্তা ভাবনা করে আসলে decision গুলো দেওয়ার উচিত ছিল. এরকম আপনার জি. এই March এর আগের March, মানে এক বছর আগের March, দুই হাজার বিশের যে March. সেই March এও কিন্তু আ সতেরো তারিখ পর্যন্ত নিয়া প্রশাসন সভায় ব্যস্ত ছিল. এই মার্চেও কিন্তু ছাব্বিশে মার্চ পর্যন্ত এই এইটা নিয়েই মুজিবর কর্মসূচীর স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী দিনে সবাই ব্যস্ত ছিল. আসলে তারা তো সরকারের মধ্যে সবাই তো জানছে যে ভিতরে ভিতরে কি হচ্ছে কি পরিমান করোনা আক্রান্ত হচ্ছে কেমন বাড়ছে ছাব্বিশ তারিখ পর্যন্ত সেটা প্রকাশ্যে আসেনি. ছাব্বিশ তারিখের পরে সুবর্ণ জয়ন্তী এবং সভা এবং বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীর প্রোগ্রাম যখন চলে গেল, তখন সরকারের মধ্যে চিন্তা আসলো যে এইটা নিয়ে আসলে এই মুহুর্তে, এখন ভাবা এখন ভাবা দরকার. কর্মসূচি শেষ. এখন ভাবা দরকার. এই ভাবতে গিয়ে এই আ তাড়াহুড়া আমি বলবো না সমন্বয়হীনতার কাজটি হয়নি. সমন্বয়হীনতার কাজটি এই জন্য হয়নি কারণ মাঠের যারা ওই meeting এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে Cabinet থেকে যদি নেতৃত্বে যে ভার্চুয়াল মিটিং টা হয়েছে ওই মিটিংয়ে যারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা সবাই সরকারের সচিব সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা IGP এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন যে সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারা. সেখানে একজন মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা যারা ইয়েনো আছে যারা DC আছে যারা যারা বিভাগীয় কমিশনার আছে সচিবরা যতটা জানেন বা দেখেন একজন ENO একজন DC, একজন জেলা প্রশাসন, মাঠে practically তারা কিন্তু বেশি জানেন, বেশি বোঝেন. আর বাদটা তাদের কাছে. ফোনে জেনে নেওয়া আর practically জেনে নেওয়ার মধ্যে difference আছে. সেই জায়গাটায় আমি মনে করব যে সমন্বিত উদ্যোগটা সেই জায়গাটা চিন্তা করা হয়নি. একটা লকডাউন দিয়ে দিল. আগের থেকে বলা হলো যেটা আপনি নিশ্চয়ই মনে আছে. আগের দিন সকল মন্ত্রী সকল মন্ত্রী বিশেষ করে আমাদের আ সড়ক ও সেতু মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং জন প্রশাসন মন্ত্রী. তারা যখন brief করলেন, তখন তারা যখন meeting এ গেলেন. তখন কিন্তু তারা বললেন যে তারা লকডাউনে যাচ্ছেন. ঠিক তার একদিন পরে একদিন পরে ক্যাবিনেট মিটিং যখন হল ক্যাবিনেট মিটিংএ জনপ্রিয় সেক্রেটারি বললেন যে এটা লকডাউন শব্দ আমরা ব্যবহার করিনি. করেছি কঠোর নিষেধাজ্ঞা. লকডাউন শব্দ কিন্তু চলে গেল, কঠোর নিষেধাজ্ঞা চলে আসবে. কিন্তু মিডিয়াতে আমরা এবং সাধারণ মানুষ আমরা কিন্তু লকডাউনে অভ্যস্ত বলে কঠোর বিধি নিষেধ আপনি যখন বলবেন, তখন সাধ্যগত পরিবর্তন হবে করার character টা একই. এখন একটা বিষয় হচ্ছে যে এখন বর্তমান সময় যেমন এই গত বারো চোদ্দ বছরে বিরোধী দলের হরতাল দেখলা যেমন ঢিলেঢালা হরতাল হয়, হরতালের নামে নামে শুধু ঢিলেঢালার কর্মসূচি পালিত হয়. ঠিক এখনও লকডাউন বা কঠোর বিধিনিষেধ সেইটাও কিন্তু ঢিলেঢালা ভাবেই হচ্ছে. ঢিলেঢালা ভাবে যখন হবে এই জাতীয় কর্মসূচি তখন মানুষ কিন্তু কিছু মানবে না. মানুষকে আসলে মানানোর একটা বিষয় ছিল আমরা কিন্তু এখন বানানো তো আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কাউকে তেমন ভাবে সক্রিয়তা দেখিনি. তার আগে আমরা যেটা দেখেছি লকডাউন কঠোর কর্মসূচির আগে তারা কিছু মাস্ক বিতরণ করেছেন রাস্তায় নেমে. এটাতে আসলে কতটা কি হয়েছে সেটা আমরা সবাই অ্যা দেখতে পাচ্ছি. যে আমরা একটি বিরতি নিয়ে তারপর আপনার কাছে আসব. সেখানে আমরা টিকার প্রসঙ্গটি নিয়ে আলোচনা করব. আজ থেকে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় দোস সেই প্রসঙ্গটি নিয়ে আমরা আলোচনা করব. দর্শক সময় হলো একটি বিরতির. আরো আলোচনা নিয়ে ফিরছি একটু পরেই. আশা করি আমাদের সঙ্গে থাকবেন. মানুষের জীবন কি গল্পের মত? আমার জীবনে আমি যা চেয়েছি. আমি অর্জন করেছি, না দোষ ছিনিয়ে এনেছি. এলাকায় কোন নতুন সুন্দরী মায়া আসলে তোর লিস্টের মধ্যে অটো আপডেট কইরা দিবি. তুই তো একটা পেট্রোল, তুই তো একটা ফিল্ম চোর. ওই লোকটাকে থাপ্পড় মারলা কেন? ছমাস থেকে ধরবো ওইটাকে চাপা. আব্বা? বৌ এর office এ আগুন নিয়ে চাকরি পাওয়ার তো ঠিক হবে না. Oh my god feam জামাই গাড়ির সাথে কিনে নিয়ে আইছে. আমার স্বামীকে বিয়ে করে, আমাকে মা ডাকা হচ্ছে না? প্রত্যেক বছর আমাদের একটা দিন আসে. আমি আমার পুরোটা জীবন তোমাকে দিয়ে দেবো. তুমি শুধু তোমার জীবন থেকে দুটো বছর আমাকে দাও. খালি চোখে যা দেখা যায় তা কিন্তু সব সময় ঠিক নেই. যার ভালোবাসা নিয়ে খেলা করে, তারা কখনো সত্যিকারের ভালোবাসা পায় না. আমি কথা বলবো না. আরে বাবা এটা খাওয়ার সময় আমার মেয়ে মানুষের সঙ্গপ্রয়োজন হয়. ভয়ে মারতে হবে নয়তো মোর হতে হবে সবাই ওই লোকটাকে থাপ্পড় মারলা কেন? ছমাস থেকে ধরবো ওইটাকে চাপা. আপা? বৌয়ের office এ হাত তুললে চাকরি পাওয়ার তো ঠিক হবে না. Oh my গাড়ির সাথে কিনে নিয়ে আইসে. আমার স্বামীকে বিয়ে করে আমাকে মা ডাকা হচ্ছে মা? প্রত্যেক বছর আমাদের একটা দিন আসে. আমি আমার পুরোটা জীবন তোমাকে দিয়ে দেবো. তুমি শুধু তোমার জীবন থেকে দুটো বছর আমাকে দাও. খালি চোখে যা দেখা যায় তাকে তো সবসময় ঠিক নেই. যারা ভালোবাসা নিয়ে খেলা করে, তারা কখনো সত্যিকারের ভালোবাসা পায় না. মদ খাবো না. আরে বাবা এটা খাওয়ার সময় আমার মেয়ে মানুষের সঙ্গ প্রয়োজন হয়. ভয়ে মারতে হবে নয়তো মোর য়ী মজুদ আছে ছেচল্লিশ লাখ একত্রিশ হাজার দুইশ সাতানব্বই ডোজ ঘাটতি আছে নয় হাজার নয় লাখ সাইতিরিশ হাজার চারশো ছয় ডোজ এই অবস্থায় ভারত টিকা রপ্তানি আপাতত বন্ধ রেখেছে আপনার কাছে কি মনে হয়? এই dose দিতে দিতে সবাই পাবে কিনা শেষ পর্যন্ত কি আমরা বিদেশ থেকে আনতে পারবো কিনা বা আমাদের কি পরিকল্পনা আছে বা হওয়া উচিত. ছোট্ট করে যদি আলোচনাটা করেন আমরা আসলে প্রত্যাশা রাখি যে আমরা সবাই টিকা পাবো. এরকম একটা প্রত্যাশা আমরা মানে রাখি. বাস্তবতা যে বিষয়টা সেটা হলো যে, আমরা সেরামের বাইরে অন্য কোনো সূত্রের দিকে কিন্তু এই পর্যন্ত তাকায়নি. সেরামের সাথে ভ্যাকসিন পো এবং সেরাম, সরকার মিলে একটা ট্রাইএঙ্গেলটি যেটা হলো, স্ট্রিট ত্রিপক্ষ ত্রিপক্ষ যেই টিটিতে যেটা গেল সেটা কিন্তু আসলে আ বিশেষজ্ঞরা বলছে এবং এই সেক্টরে যারা কাজ করে তাঁরা বলছে যে আসলে আ দেশের মানুষের স্বার্থ দেশের টিকা দেওয়ার বিষয়টার পাশাপাশি সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, ভ্যাকসিন পোর ব্যবসা. এর বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা এবং এই সেক্টরে যারা কাজ করে তাদের বক্তব্য যে ভ্যাকসিম্পল ব্যবসাকেই গুরুত্ব দেওয়ার কারণে আসলে সরকার অন্য কোনো sector এ অন্য কোনো সোর্সের দিকে এমনি মুখে বলেছে যে আমরা বিভিন্ন অন্যান্য সূত্র থেকে টিকা না আর ভ্যাকসিন আনার জন্য আমরা চেষ্টা করছি কিন্তু সেই চেষ্টাটা অনেকটাই দায়সারা ভাবে করা সেকারণেই আমাদের অন্য কোনো সূত্র থেকে আমাদের ভেক্সিন আনার এখন পর্যন্ত কোনো cheque মানে সে অর্থে কাগজে কলমে আ কোনো output নাই. এখন আমাদের সেরামটাই হলো একমাত্র ভরসা. সেরম একটি কাজ থেকে শুরু হচ্ছে কিন্তু জানিনা এই system টা যেটা করা হয়েছে যে অবশ্যই আপনাকে আমি বা SMS আসতে হবে. আপনার ticket dose যে আজকে যে আপনি দিবেন আপনাকে SMS আসতে হবে, SMS টা দেখাতে হবে. এইটা মাস পরে আমার date ছিল. আমি ওই সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের আমার পরিচিত আ ডাক্তারদের সাথে ডাক্তারের সাথে কথা বলেছি. উনি আমাকে জানালেন যে না আপনাকে দুই মাস পরে আসতে হবে এবং আপনার একটা SMS যাবে. SMS ছাড়া আইসেন না. তো এখন নিয়ম করেছে যে দ্বিতীয় dose এর জন্য SMS লাগবে. হ্যাঁ, দ্বিতীয় dose এর জন্য SMS লাগবে. সেটা আজকে থেকে শুরু হয়েছে এবং কতজন SMS পেয়েছে সেটা জানি না. এখন আমারটা আসার পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করছি যে SMS যদি আগের দিন ছোট্ট করে একটু জিজ্ঞেস করতে পারি, তার মানে কি এখানে কি টিকার যেহেতু সংক আছে, একটু কড়াকড়ি করার চেষ্টা করছে. স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়. একটু করা একটু একটু করাকরি করা, একটু চাপে রাখা, যাতে, যাদের SMS নাই, তারা ছাড়া যাতে অন্য কেউ, গিয়েই কাগজটা দিয়ে, পারে বা টিকাটা না নিতে, second লোক, যদি দোষ না নিতে পারে, এরকম বোধহয় বিষয়টা. তবে আ, প্রত্যাশা তো আমরা করতেই পারি, যে আমরা অন্য বলা হচ্ছে পৃথিবীর অনেক দেশ এই পর্যন্ত ভ্যাকসিন দিতে পারে নাই সেই জায়গায় আমরা ভ্যাকসিনটা দিয়ে ফেলেছি. প্রথম দোষ আমরা শেষ করেছি দ্বিতীয় rules আজকের থেকে শুরু হয়েছে সকল মানুষ টিকা পাক এটা প্রত্যাশা করি যে আমরা আমরা এই প্রত্যাশাটা ব্যবসাটা যাতে নির্দিষ্ট একটা কোম্পানির উপর না চলে যায় জনগণ যাতে priority পায়, ব্যবসাটা যাতে priority না পায় এই বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে একটু রাখার চেষ্টা করবে বা স্বচ্ছতা রাখবে সেটাই আমরা আশা করি, বিশেষ করে এই আ দূর্যোগ দূর বিপাকের দিনে, আমরা একটু আর একটু বিষয় নিয়ে একটু আলোচনা করতে চাই সমকাল যদি বলছে সালতার উসকানি ছিল আওয়ামী লীগ সালতার উস্কানি ছিল. আওয়ামী র একাংশেরও মামলা সহ চতুর্মুখী চাপে মামুন ও শিশু বক্তার বিয়ে নিয়েও ঘাপলা. এরকম আ সবগুলোই পত্রিকাতেই আছে আমি আরেকটু পড়তে চাই দেশ সুপ্রান্তর থেকে হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের ধরতে প্রধানমন্ত্রী সাই চেয়েছে পুলিশ. যে কোনো সময় গ্রেপ্তার হেফাজতদাতা মামুনুল, পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি করার নির্দেশ পুলিশ সদরদপ্তরের দুটোকে মিলিয়ে যদি একটু আপনি আলোচনাটা করেন আমাদের শেষ তিন মিনিট পাবো আমরা. আসলে দেখেন এই যে হেফাজতের যে নেতা যে যে কান্ডটি করেছেন সেটা আমরা যদি ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলার দিকে তাকাই ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলো আসলে আমার বিবেচনা এটা আমার ব্যক্তিগত বিবেচনা সেটা হল আমার বিবেচনায় ধর্মীয় রাজনৈতিক দল গুলা এটা একটা স্বর্ণলতার মতো তারা নিজেরা দাঁড়াতে পারে না তারা হয় BNP র উপর ভয় করতে হয় না হয় আওয়ামী লীগের উপর ভর করতে হয়. এই যে একটা অবস্থা আজকে আমরা ধর্মীয় রাজনৈতিক দল গুলা বাংলাদেশে যে বিস্তার ঘটছে এইটা কেউ না কেউ মরা তাদেরকে আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছি সেই কারণেই কিন্তু এই ঘটনাটা ঘটেছে হেফাজতের বিষয়টা কিন্তু একই একই অবস্থা. হেফাজত ছিল সরকারের আশ্রয়ের প্রশ্রয়ের একটি রাজনীতি সংগঠন. সে কারণেই সরকারের বিরুদ্ধে যত রকম ইসলামিক বিভিন্ন ইসলামিক আ অনুষ্ঠানে যত বক্তৃতা হয়েছে সরকারের বিরুদ্ধে প্রায় eighty percent বক্তৃতা হয়েছে হেফাজতের নেতা কর্মীদের দ্বারা. আপনার BNP পন্থী কোনো রাজনৈতিক নেতা যদি হেফাজতের বা কোনো ইসলামিক সংগঠনে ইসলামিক জলসা বক্তিতা করে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়ে যেত. তাই গ্রেফতার করা ইসলামিক জলসাগুলাতে যে সমস্ত বক্তৃতা হচ্ছে সেই বক্তৃতা গুলো monitoring পর্যন্ত নাই. যে সরকারের বিরুদ্ধে কি কি বক্তৃতা হচ্ছে? এখন বক্তৃতা হচ্ছে কেন? এখন বক্তৃতা হচ্ছে সরকারের ঘাড়ের ওপর পড়ে গেছে. যখন ঘাড়ের উপর বিষ বাস্প ফেলে, তখন হুঁশ হয়েছে হেফাজতের বিরুদ্ধে গত এই পর্যন্ত অনেকগুলো মামলা হয়েছে. মামলা অনেকগুলো মামলা হয়েছে. গতকাল রাতে হেফাজতের নেতা মামুনকে গ্রেফতার করা হবে এরকম একটা খবর কিন্তু মিডিয়াতে চাওর হয়ে গেছে. এবং মহম্মদপুরের হেফাজতের যে আস্তানা সেই আস্তানাই কিন্তু, খবর বিভিন্ন মিডিয়ার কর্মীরা অনেক রাত পর্যন্ত সে জায়গায় ছিল. তো মামলা হলে অন্যদের অন্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার সাথে সাথে গ্রেফতার করে তাদেরকে একদম ডিবিতে নিয়ে বা এমনি পুলিশ হেফাজতে নিয়ে ঐদিনই তাদেরকে কোর্টে নিয়ে দশ বারো দিনের রিমান্ড চেয়ে রিমান্ডে নিয়ে রিমান্ড শুরু হয়ে যায় কিন্তু আজকে এই ঘটনা যদি বিএনপি করতো বা অন্য রাজনৈতিক দল করতো. ইভেন সরকারের সাথে মোদিভাই আমাদের শেষ করতে হবে. সরকারের সাথে যুক্ত যা সৎ অথবা ম্যানেজমেন্ট পার্টি ওয়ার্কার্স পার্টিও তো করতো. তাও এই এরকম ছাড় পেতো না. সারটা দিতে ಧನ್ಯವಾದ দেখতে পান, আর দেখার আমন্ত্রণ রইলো, করোনা কালে মাস্ক পরে, শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে নিরাপদে থাকুন, আর RTV সঙ্গে থাকুন, ধন্যবাদ সবাইকে."> আসলাম্মআলাইকুন. শুভ সকাল জানাচ্ছি সবাইকে আর আমন্ত্রণ জানাচ্ছি সংবাদ পর্যালোচনা ভিত্তিক নিয়মিত আয়োজন network টা আজ পত্রিক অনুষ্ঠানের সঙ্গে আছি আমি লুৎফুর রহমান. দর্শক এই অনুষ্ঠান এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা দেশের উল্লেখযোগ্য জাতীয় দৈনিকের অন্যতম শিরোনাম গুলো আপনাদের জানানোর চেষ্টা করি একই সঙ্গে খবরের পেছনে খবর ও তা নিয়ে বিশ্লেষণ শুনি. সংবাদ বিশ্লেষণে আজ আমাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রধান প্রতিবেদক মনিরুল ইসলাম. মঞ্জু ভাই আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি আমাদের অনুষ্ঠানে. ধন্যবাদ আপনাকে. দর্শক আমরা আলোচনায় যাবো তবে যাওয়ার আগে দেশের প্রধান কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের একটু দেখে নেব. ভয়াবহ রূপে নতুন ভেরিয়েন্ট স্বাস্থ্য বিধি মানতে হবে মানাতে হবে দ্রুত ফুসফুস সংক্রমিত হচ্ছে প্রয়োজন হচ্ছে অক্সিজেন দানে আছে প্রধানমন্ত্রীর ডিএইট শীর্ষ সম্মেলনে ভার্চুয়ালে অংশ নেবেন আজ তার ডানে অ্যাসে বাঘ যুদ্ধ আর সহিংসতায় উত্তেজনা তুঙ্গে মমতাকে ঠেকাতে মরিয়া মোদী অমিত সহিংসতা এ পর্যন্ত নিহত তিন ভোট এলেই পুলিশ BJP হয়ে যায় মমতার অভিযোগ মমতাকে EC এর শো cause তার নিচে আছে শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের তীব্র সংকট বিপুল ক্ষতির মুখে উদ্যোক্তারা জরুরি ব্যবস্থা নিতে তিতাসকে BTMA এর চিঠি. মাঠ প্রশাসনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে বলছে প্রথম আলো সরকারি কার্যালয়ে হামলা সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনায় UNO এবং AC land এর নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন জনপ্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা. ডনে একমাসে এত রোগী আগে বাড়েনি করোনা ভাইরাস প্রসঙ্গ, সংক্রমণের তেরোতম মাস পূর্ণ হচ্ছে আজ দেশের চৌষট্টি জেলার মধ্যে ছেচল্লিশটি জেলাই এখন সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে. বায়ে আছে নিহতের সংখ্যা নিহতের সংখ্যা কত তেরো পনেরো নাস হলো. ব্রাহ্মণবাড়িয়া হিংস্রতা. সরকারি হিসেবে তিনদিনে নিহত তেরো হেফাজতের তালিকায় পনেরো, দুই তালিকায় গড়মিল, চারজন, পরিবারগুলোর. পরিবারগুলোর দাবি, গুলিতে মারা গেছে সবাই. যুগান্তর বলছে, চব্বিশ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ চিহ্নিত, সাত হাজার ছয়শো ছাব্বিশ মৃত্যু, তেষট্টি, দেশের টানা চার দিন শনাক্ত, সাত হাজারের উপরে. তার দানে আছে স্বাস্থবিধি উপেক্ষার ভয়, উপেক্ষার ভয়ঙ্কর রূপে করোনা মধ্য এপ্রিলে আরো বাড়ার সংখ্যা highlights এ বলা হচ্ছে, দুরাবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে বান আসতে হলে আঠারো দফা আঠেরোর নির্দেশনা মানতে হবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছেন, দেশের এই মুহূর্তে সামগ্রিক পরিবেশ সংক্রমণ বৃদ্ধিতে সহায়ক অধ্যাপক নজরুল ইসলামের ভাষ্য. েন লকডাউনের তৃতীয় দিনে গণপরিবহন চালু ঢাকায় যাত্রী সংকট চট্টগ্রামে ভিড়. মোটর বাইক ছাড়া ওভারের রাইট শেয়ারিং চালু আজ মাস্ক পড়া ও সামরিক সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই. সমকাল অনিশ্চয়তা শুরু হচ্ছে টীকার. দ্বিতীয় ডোজ, আগেই বিকল্প উদ্যোগ প্রয়োজন ছিল মত বিশেষজ্ঞদের. নিচের পাশাপাশি আছে সাওথায় উস্কানি ছিল আওয়ামী লীগের একাংশেরও মামলাসহ চতুর্মুখী চাপে মামুনুল শিশু বক্তার বিয়ে নিয়েও ঘাপলা. কণ্ঠস্বাস্থ্য বিধি না মানলে বিপদ করোনা মোকাবিলায় নিজেকে নিজে সুরক্ষার প্রস্তুতি রাখতে হবে স্বাস্থবিধি মেনে চলা নিজ অবস্থানে নিজ অবস্থানে অবস্থান থেকে রাখতে হবে ভূমিকা জীবনের পাশাপাশি জীবিকাকেও গুরুত্ব দিতে হবে চার বিশেষজ্ঞ বলেছেন এসব কথা রোগী উপচে পড়ছে সব হাসপাতালে. হাইলেটসে বলা আছে বেশিরভাগ রোগীরই শ্বাসকষ্ট অনেককে ঘুরতে হচ্ছে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে চোদ্দই এপ্রিল মহামারীতে অ্যা মহাখালীতে দেড় হাজার bed কোভিড সেন্টার চালু হলে সংকট. কিছুটা কমবে হাসপাতালগুলোতে নিজস্ব অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের. সবচেয়ে বায়ে নীচের দিকে আছে. প্রতিবেদন প্রতিবেদনে বাংলাদেশ মত প্রকাশ ঠেকাতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ হচ্ছে. দেশ প্রান্তর দুহাজার কোভিড বেড বাড়ছে. তিন হাসপাতালে সতেরোশো বেড তিন বিশেষায়িত হাসপাতালে তিনশো bed, তিনটি ফিল্ড হাসপাতাল চালুর পরিকল্পনা শয্যার চেয়ে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের. তার ঠিক নিচে আছে হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের প্রধানমন্ত্রীর সাই চেয়েছে পুলিশ যে কোনো সময়ে গ্রেফতার হেফাজত নেতা মামুনুল পুরোনো মামলার নিষ্পত্তি করার নির্দেশ পুলিশ সদর দফতরের তার ডানে আছে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি মসজিদে নামাজের আগে পরে সবার সমাবেশ নয় সব শেষে daily estern লকডাউন এক্সিস্ট only on পেপার, নিচে আছে MTICO bed, hard disk to find তবে আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মানার কিন্তু আসলে বালাই নেই. গতকাল থেকে গণপরিবহন চালু হয়ে গেছে. সবগুলো বিষয়কে মিলিয়ে যদি আপনি একটু শুরু করেন. ধন্যবাদ আপনাকে. আসলে আমাদের বা বর্তমান যে অবস্থা সেই অবস্থা জীবন এবং জীবিকা. এটাই হলো রক্ষা করা এটাই হলো এখনকার আ সরকারের policy, যে জীবনটাও রক্ষা করতে হবে জীবিতও রক্ষা করতে হবে. এই policy কে কেন্দ্র করেই কিন্তু আমাদের শুরু হয়েছে. লকডাউন, লকডাউনকে আমরা আ খবরের কাগজে ভাষায় মিডিয়ার ভাষায় আমরা লকডাউন বলছি সরকার বলছে কঠোর বিধিনিষেধ বা কঠোর নিষেধাজ্ঞা. কিন্তু আমরা মজার ব্যাপার হলো কঠোরতা কোথাও দেখছি না. রাস্তাঘাটে বলেন, সরকারি অফিস-আদালতে বলেন বা জীবন জীবিকার সাথে সংশ্লিষ্ট যত জায়গায় আছে, কঠোরতা কোথাও দিচ্ছি না. কিন্তু আরেকটা বিষয় হল যে আমার সবকিছু কঠোর যদি আমি কঠোর অ্যা কঠোরতা দেখি কিন্তু এর মধ্যে আবার কলকারখানা সব চলবে. বাংলাকে ডেডমি বইমেলা চলবে দোকানপাট চলবে না গণপরিবহন চলবে না আজকে থেকে গণপরিবহন গতকাল থেকে গণপরিবহন চলছে এই যে একটু অবস্থা আসলে শৃঙ্খলা তো কোথাও নাই আমি যে কঠোর নিরাপত্তা কঠোর বিধিনিষেধের কথা বলছি সেইখানেও কিন্তু সুনির্দিষ্ট শৃঙ্খলা জায়গাটা নেই আমি কোনটাকে কঠোর বলবো কোনটাকে কঠোর বলবো না সেই জায়গাটাও নেই আমি বন পরিবহনের আমার অটো রিকশা চলছে রাইসিয়া over toober যা আছে সব চলছে শুধু মোটরসাইকেল টা চলবে না এইটা এইখানেও কিন্তু জীবন জীবিকার বিষয়, মোটরসাইকেলে যখন জীবন জীবিকার বিষয়টা আসছে, মোটরসাইকেলের উপর ভিত্তি করে কিন্তু বহু মানুষ বহু মানুষের জীবন জীবিকা এখন চলছে এটা একটা বিকল্প চাকরির মতো ব্যবসার মতো হয়ে গেছে. এই জায়গাটায় চলবে না. তো আপনি দেখেন যে জীবন জীবিকার প্রশ্ন গুলা সেই জায়গাটায় শৃঙ্খলিত না. প্রশ্নগুলো মানে আ যে বিধি বিধিনিষেধগুলো শৃঙ্খলিত না. সরকারী ভাবে সরকারেও এখন বলছে যে যেভাবে আক্রান্ত হচ্ছে এ আক্রান্ত যদি বাড়তে থাকে, সরকারের পক্ষে হাসপাতালের রোগী সং পূরণ করা সম্ভব না. এটা বাস্তব. বাংলাদেশের যে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে হাসপাতালের যে সক্ষমতা সেই সক্ষমতায় অন্যান্য রুগীর সাথে শুধু পর্নো রোগীকে হ্যান্ডেল করার সক্ষমতা বেড়েছে কিন্তু হাসপাতালের সক্ষমতা বেড়ে বাড়েনি. আমরা মার্চ মাসে March মাস থেকে শুরু করে গত বছরের মাঝখানের যে একটা বছর গেল, এই একটা বছর সময়ের মধ্যে অনেকগুলো হাসপাতালের যেগুলো কোভিডের, dedicated ছিল, এর মধ্যে পাঁচটা হাসপাতালের গড়ে কোভিড ডেডিকেশান কিন্তু তুলে দিয়ে আমরা হাসপাতাল, সাধারণ হাসপাতাল করে ফেলেছি. এখন আবার নতুন করে দুই একটা হাসপাতাল কি কোভিড হাসপাতাল করার চেষ্টা করা হচ্ছে, মহাখালীতে যে আইসোলেশন সেন্টারে যে টেস্টিং সেন্টারটা ছিল সেইটাকে হাসপাতাল করে দেড় হাজার বেডের হাসপাতাল বানানো হবে বলে এখন তোড়জোড় শুরু হয়েছে দু একদিনের মধ্যে হয়তো সেটা চালু হয়ে যাবে. মজার ব্যাপার হলো সবচেয়ে আ দুঃখজনক হলো যে আমাদের হসপিটাল গুলোতে একটা বছর সময়ের মধ্যে আ আইসিইউ বেড বাড়ানো হয়নি. Murd ইউনিট এর পুরে যাবে? কোথা থেকে? Ic bed পুড়ে গেছে, সেই জায়গায়ও কিন্তু সম্পদ আছে. একটা বছর সময়ের মধ্যে হাসপাতাল গুলোতে নিজস্ব অক্সিজেন গঠন করা হয়নি. যে কারণে এই সংকটটা বাড়ছে. এখন অক্সিজেনের যে উৎপাদন সেই উৎপাদনের এই অবস্থা যদি বাড়তে থাকে রোগী. অক্সিজেন দেওয়াটাও কিন্তু ডিফিকাল্ট হয়ে যাবে. সাধারণ মানুষের মধ্যে যে সচেতনতা থাকা উচিত ছিল, যে এইরকম একটা অসুখ এই ভাইরাস আক্রান্ত হলে আমি যেকোনো সময় আক্রান্ত হতে পারি এবং আক্রান্ত হলে আমি মরে যেতে পারি. আমার মৃত্যু অনিবার্য হতে পারে. সেই জায়গাটায় আমাদের ভয়ের মধ্যে ভয়ের কিছু দেখছি না কিন্তু. রাস্তাঘাটে আপনি বের হলে দেখবেন যে এই যে বলা হচ্ছে একদম প্রাথমিক যে শর্ত কথাটা বলা হচ্ছে যে মাস্ক পড়তে হবে সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করে চলতে হবে. মাস্ক পরে মাস্ক পরে আবার মাস্কটা নাক এবং মুখ মুখটাকে খুলে রাখা হয়. কেউ বলে যে এটা গরম লাগছে. আম্মু আমরা গত কয়েকদিন যাবৎ মোবাইল এবং পুলিশের যে তৎপরতা আমরা দেখছি তাতে দেখা যাচ্ছে যে কেউ যদি. মার্কস নেয় বলা হয়. যেহেতু মাস্কটা পকেটে আছে পড়তে ভুলে গেছি. কেউ বলে লাগিয়ে এর জন্য খুলে ফেলেছি. কেউ বলে বাসায় ছিল এটা আনতে ভুলে গেছি. নানা রকম অজুহাত. আমি মো, আমি মরে যাবো আক্রান্ত হলে. আমি আমার মৃত্যু অনিবার্য, এটা জানার পরেও যখন আমি ব্যক্তি পর্যায়ে মাস্ক পরার বিষয়টাকে এত প্রাইমারি ভাবে চিন্তা করি এত অ্যা তৃণমূল পর্যায়ে যদি আমরা চিন্তা করি যে একদম গ্রাম পর্যায়ে গ্রাম পর্যায়ে যাই হোক, গ্রাম পর্যায়ে গ্রামে এখন পর্যন্ত গ্রামে সেভাবে আক্রান্তের বিষয়টা নেই. কিন্তু শহরের যে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ তাদের থেকে করে উচ্চ পর্যায়ে সবার মধ্যেই কিন্তু মাস্ক পড়ার মধ্যে কারো মধ্যে ইতিমধ্যে এক বছরে কেউ ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে গেছে. কেউ আবার ব্যবহার কখনো কখনো করে, কখনো কখনো. এই অবস্থায় কিন্তু আজকে, আজকে বৃহস্পতিবার কিন্তু আরেকটি নির্দেশনা আসার কথা যেহেতু আ আগামী রোববারে এর সাতদিন শেষ হচ্ছে. আজকে আপনার কাছে কি মনে হয়? কি ধরনের নির্দেশনা আসতে পারে? এখন যে অবস্থা চলছে তাতে তো আসলে লকডাউনের লেশমাত্র আমরা দেখতে পাচ্ছি না. সবকিছুই মোটামুটি চলছে. শুধুমাত্র স্কুল, কলেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর মার্কেটগুলি একটু বন্ধ আছে. আর আপনি যেটা বলেছেন কি হবে জানি তবে আমার মনে হচ্ছে যে আজকে হয়তো আ দোকান টোকান খুলে দেওয়ার একটা ব্যবস্থা হয়ে যেতে পারে. দোকান টোকান খুলে দেওয়ার যদি সরকারি ভাবে কোনো ব্যবস্থা না হয় তবে ব্যাবসায়ীদের যে অবস্থা যেভাবে তারা রাস্তায় নামছে সারা দেশে তাতে কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্ত অমান্য করেই দোকানপাট খুলে যাবে. এই জন্য খুলে যাবে গত বছরও কিন্তু এই ব্যবসায়ীরা ঈদের আগে কোনো ব্যবসা করতে পারে নাই. একটা বছর দোকান পাঠ বন্ধ ছিল, ব্যবসা হয় নাই. এবারও যখন দোকানপাটের মালটা লুঠিয়ে, রেডি হয়েছে ঈদের জন্য, তখনও কিন্তু আবার অনেক কসরা চলে আসছে মার্কেট রেটের সব বন্ধ হয়ে গেছে. এই জায়গাটায়ও কিন্তু জীবন জীবিকার প্রশ্ন নিয়ে আছে. ফ্যাক্টরি যদি চলতে পারে, কলকারখানা সবই যদি চলতে পারে গণপরিবহন যদি চলতে পারে বইমেলা যদি চলতে পারে তখন মার্কেট খোলা নিয়েও কিন্তু তারা এখন আর মানবে না. সুতরাং সবকিছু এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যদি আমি জীবন জীবি, জীবন জীবিকাটাকে সামনে রাখি, জীবন জীবিকা কিন্তু সবার জন্যই, আজকে দেখেন রেস্তোরাঁ রেস্তোরাঁর যেই বিষয়টা আছে রেস্তোরাঁ থেকে আপনে আ খাবার নিতে পারবেন, কিন্তু রেস্তোরাঁ থেকে বসে খেতে পারবেন না, বহু রেস্তোরাঁ সেটা মানছে না, তার পাশাপাশি বহু রেস্তোরায় যারা খাবার পরিবেশন করত, বয়-বেয়ারার এই জাতীয় কাজ যারা করতো, তারা কিন্তু বেকার হয়ে গেছে, তাদের কিন্তু চাকরি চলে গেছে. যার যার মত, বাড়ি চলে গেছে. তো সরকারের আসলে একা একক সিদ্ধান্ত নিয়া বা শুধু বিধি নিষেধ দিয়া বর্তমান অবস্থা বা বর্তমান অবস্থার মোকাবিলা করা সম্ভব নয়. যদি ব্যক্তি পর্যায়ে আমরা সবাই সচেতন না হই, যদি ব্যক্তি পর্যায়ে আমি মার্কস আপনার কাছে কি মনে হয় যে এই লকডাউন আ দেওয়ার আগে কি আরো বেশি চিন্তাভাবনা করে, আরো বেশি গবেষণা করে আরো পরিকল্পিতভাবে কি আসলে ব্যাবস্থাগুলি আ নেওয়া উচিত ছিল কিনা? একটু বেশি তাড়াহুড়া হয়ে গিয়েছে কিনা সিদ্ধান্ত গ্রহণ না তাড়াহুড়োটা হয়নি বরং বিলম্বিত হয়েছে বিলম্বিত হয়েছে না আমি বলতাছি তারা যে প্রজ্ঞাপনটা জারি করেছে সরকারের পক্ষ থেকে যে প্রোগ্রামটা সেইখানে কি তারা হুড়ার কোনো বা অসামঞ্জস্যের কোন ছাপ আপনি দেখতে পান কিনা যে চিন্তা ভাবনার কিছু আসলে আ আরেকটু হয়তো সামান্য হীনতা ছিল, আরেকটু হয়তো চিন্তা ভাবনা করে আসলে decision গুলো দেওয়ার উচিত ছিল. এরকম আপনার জি. এই March এর আগের March, মানে এক বছর আগের March, দুই হাজার বিশের যে March. সেই March এও কিন্তু আ সতেরো তারিখ পর্যন্ত নিয়া প্রশাসন সভায় ব্যস্ত ছিল. এই মার্চেও কিন্তু ছাব্বিশে মার্চ পর্যন্ত এই এইটা নিয়েই মুজিবর কর্মসূচীর স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী দিনে সবাই ব্যস্ত ছিল. আসলে তারা তো সরকারের মধ্যে সবাই তো জানছে যে ভিতরে ভিতরে কি হচ্ছে কি পরিমান করোনা আক্রান্ত হচ্ছে কেমন বাড়ছে ছাব্বিশ তারিখ পর্যন্ত সেটা প্রকাশ্যে আসেনি. ছাব্বিশ তারিখের পরে সুবর্ণ জয়ন্তী এবং সভা এবং বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীর প্রোগ্রাম যখন চলে গেল, তখন সরকারের মধ্যে চিন্তা আসলো যে এইটা নিয়ে আসলে এই মুহুর্তে, এখন ভাবা এখন ভাবা দরকার. কর্মসূচি শেষ. এখন ভাবা দরকার. এই ভাবতে গিয়ে এই আ তাড়াহুড়া আমি বলবো না সমন্বয়হীনতার কাজটি হয়নি. সমন্বয়হীনতার কাজটি এই জন্য হয়নি কারণ মাঠের যারা ওই meeting এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে Cabinet থেকে যদি নেতৃত্বে যে ভার্চুয়াল মিটিং টা হয়েছে ওই মিটিংয়ে যারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা সবাই সরকারের সচিব সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা IGP এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন যে সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারা. সেখানে একজন মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা যারা ইয়েনো আছে যারা DC আছে যারা যারা বিভাগীয় কমিশনার আছে সচিবরা যতটা জানেন বা দেখেন একজন ENO একজন DC, একজন জেলা প্রশাসন, মাঠে practically তারা কিন্তু বেশি জানেন, বেশি বোঝেন. আর বাদটা তাদের কাছে. ফোনে জেনে নেওয়া আর practically জেনে নেওয়ার মধ্যে difference আছে. সেই জায়গাটায় আমি মনে করব যে সমন্বিত উদ্যোগটা সেই জায়গাটা চিন্তা করা হয়নি. একটা লকডাউন দিয়ে দিল. আগের থেকে বলা হলো যেটা আপনি নিশ্চয়ই মনে আছে. আগের দিন সকল মন্ত্রী সকল মন্ত্রী বিশেষ করে আমাদের আ সড়ক ও সেতু মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং জন প্রশাসন মন্ত্রী. তারা যখন brief করলেন, তখন তারা যখন meeting এ গেলেন. তখন কিন্তু তারা বললেন যে তারা লকডাউনে যাচ্ছেন. ঠিক তার একদিন পরে একদিন পরে ক্যাবিনেট মিটিং যখন হল ক্যাবিনেট মিটিংএ জনপ্রিয় সেক্রেটারি বললেন যে এটা লকডাউন শব্দ আমরা ব্যবহার করিনি. করেছি কঠোর নিষেধাজ্ঞা. লকডাউন শব্দ কিন্তু চলে গেল, কঠোর নিষেধাজ্ঞা চলে আসবে. কিন্তু মিডিয়াতে আমরা এবং সাধারণ মানুষ আমরা কিন্তু লকডাউনে অভ্যস্ত বলে কঠোর বিধি নিষেধ আপনি যখন বলবেন, তখন সাধ্যগত পরিবর্তন হবে করার character টা একই. এখন একটা বিষয় হচ্ছে যে এখন বর্তমান সময় যেমন এই গত বারো চোদ্দ বছরে বিরোধী দলের হরতাল দেখলা যেমন ঢিলেঢালা হরতাল হয়, হরতালের নামে নামে শুধু ঢিলেঢালার কর্মসূচি পালিত হয়. ঠিক এখনও লকডাউন বা কঠোর বিধিনিষেধ সেইটাও কিন্তু ঢিলেঢালা ভাবেই হচ্ছে. ঢিলেঢালা ভাবে যখন হবে এই জাতীয় কর্মসূচি তখন মানুষ কিন্তু কিছু মানবে না. মানুষকে আসলে মানানোর একটা বিষয় ছিল আমরা কিন্তু এখন বানানো তো আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কাউকে তেমন ভাবে সক্রিয়তা দেখিনি. তার আগে আমরা যেটা দেখেছি লকডাউন কঠোর কর্মসূচির আগে তারা কিছু মাস্ক বিতরণ করেছেন রাস্তায় নেমে. এটাতে আসলে কতটা কি হয়েছে সেটা আমরা সবাই অ্যা দেখতে পাচ্ছি. যে আমরা একটি বিরতি নিয়ে তারপর আপনার কাছে আসব. সেখানে আমরা টিকার প্রসঙ্গটি নিয়ে আলোচনা করব. আজ থেকে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় দোস সেই প্রসঙ্গটি নিয়ে আমরা আলোচনা করব. দর্শক সময় হলো একটি বিরতির. আরো আলোচনা নিয়ে ফিরছি একটু পরেই. আশা করি আমাদের সঙ্গে থাকবেন. মানুষের জীবন কি গল্পের মত? আমার জীবনে আমি যা চেয়েছি. আমি অর্জন করেছি, না দোষ ছিনিয়ে এনেছি. এলাকায় কোন নতুন সুন্দরী মায়া আসলে তোর লিস্টের মধ্যে অটো আপডেট কইরা দিবি. তুই তো একটা পেট্রোল, তুই তো একটা ফিল্ম চোর. ওই লোকটাকে থাপ্পড় মারলা কেন? ছমাস থেকে ধরবো ওইটাকে চাপা. আব্বা? বৌ এর office এ আগুন নিয়ে চাকরি পাওয়ার তো ঠিক হবে না. Oh my god feam জামাই গাড়ির সাথে কিনে নিয়ে আইছে. আমার স্বামীকে বিয়ে করে, আমাকে মা ডাকা হচ্ছে না? প্রত্যেক বছর আমাদের একটা দিন আসে. আমি আমার পুরোটা জীবন তোমাকে দিয়ে দেবো. তুমি শুধু তোমার জীবন থেকে দুটো বছর আমাকে দাও. খালি চোখে যা দেখা যায় তা কিন্তু সব সময় ঠিক নেই. যার ভালোবাসা নিয়ে খেলা করে, তারা কখনো সত্যিকারের ভালোবাসা পায় না. আমি কথা বলবো না. আরে বাবা এটা খাওয়ার সময় আমার মেয়ে মানুষের সঙ্গপ্রয়োজন হয়. ভয়ে মারতে হবে নয়তো মোর হতে হবে সবাই ওই লোকটাকে থাপ্পড় মারলা কেন? ছমাস থেকে ধরবো ওইটাকে চাপা. আপা? বৌয়ের office এ হাত তুললে চাকরি পাওয়ার তো ঠিক হবে না. Oh my গাড়ির সাথে কিনে নিয়ে আইসে. আমার স্বামীকে বিয়ে করে আমাকে মা ডাকা হচ্ছে মা? প্রত্যেক বছর আমাদের একটা দিন আসে. আমি আমার পুরোটা জীবন তোমাকে দিয়ে দেবো. তুমি শুধু তোমার জীবন থেকে দুটো বছর আমাকে দাও. খালি চোখে যা দেখা যায় তাকে তো সবসময় ঠিক নেই. যারা ভালোবাসা নিয়ে খেলা করে, তারা কখনো সত্যিকারের ভালোবাসা পায় না. মদ খাবো না. আরে বাবা এটা খাওয়ার সময় আমার মেয়ে মানুষের সঙ্গ প্রয়োজন হয়. ভয়ে মারতে হবে নয়তো মোর য়ী মজুদ আছে ছেচল্লিশ লাখ একত্রিশ হাজার দুইশ সাতানব্বই ডোজ ঘাটতি আছে নয় হাজার নয় লাখ সাইতিরিশ হাজার চারশো ছয় ডোজ এই অবস্থায় ভারত টিকা রপ্তানি আপাতত বন্ধ রেখেছে আপনার কাছে কি মনে হয়? এই dose দিতে দিতে সবাই পাবে কিনা শেষ পর্যন্ত কি আমরা বিদেশ থেকে আনতে পারবো কিনা বা আমাদের কি পরিকল্পনা আছে বা হওয়া উচিত. ছোট্ট করে যদি আলোচনাটা করেন আমরা আসলে প্রত্যাশা রাখি যে আমরা সবাই টিকা পাবো. এরকম একটা প্রত্যাশা আমরা মানে রাখি. বাস্তবতা যে বিষয়টা সেটা হলো যে, আমরা সেরামের বাইরে অন্য কোনো সূত্রের দিকে কিন্তু এই পর্যন্ত তাকায়নি. সেরামের সাথে ভ্যাকসিন পো এবং সেরাম, সরকার মিলে একটা ট্রাইএঙ্গেলটি যেটা হলো, স্ট্রিট ত্রিপক্ষ ত্রিপক্ষ যেই টিটিতে যেটা গেল সেটা কিন্তু আসলে আ বিশেষজ্ঞরা বলছে এবং এই সেক্টরে যারা কাজ করে তাঁরা বলছে যে আসলে আ দেশের মানুষের স্বার্থ দেশের টিকা দেওয়ার বিষয়টার পাশাপাশি সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, ভ্যাকসিন পোর ব্যবসা. এর বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা এবং এই সেক্টরে যারা কাজ করে তাদের বক্তব্য যে ভ্যাকসিম্পল ব্যবসাকেই গুরুত্ব দেওয়ার কারণে আসলে সরকার অন্য কোনো sector এ অন্য কোনো সোর্সের দিকে এমনি মুখে বলেছে যে আমরা বিভিন্ন অন্যান্য সূত্র থেকে টিকা না আর ভ্যাকসিন আনার জন্য আমরা চেষ্টা করছি কিন্তু সেই চেষ্টাটা অনেকটাই দায়সারা ভাবে করা সেকারণেই আমাদের অন্য কোনো সূত্র থেকে আমাদের ভেক্সিন আনার এখন পর্যন্ত কোনো cheque মানে সে অর্থে কাগজে কলমে আ কোনো output নাই. এখন আমাদের সেরামটাই হলো একমাত্র ভরসা. সেরম একটি কাজ থেকে শুরু হচ্ছে কিন্তু জানিনা এই system টা যেটা করা হয়েছে যে অবশ্যই আপনাকে আমি বা SMS আসতে হবে. আপনার ticket dose যে আজকে যে আপনি দিবেন আপনাকে SMS আসতে হবে, SMS টা দেখাতে হবে. এইটা মাস পরে আমার date ছিল. আমি ওই সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের আমার পরিচিত আ ডাক্তারদের সাথে ডাক্তারের সাথে কথা বলেছি. উনি আমাকে জানালেন যে না আপনাকে দুই মাস পরে আসতে হবে এবং আপনার একটা SMS যাবে. SMS ছাড়া আইসেন না. তো এখন নিয়ম করেছে যে দ্বিতীয় dose এর জন্য SMS লাগবে. হ্যাঁ, দ্বিতীয় dose এর জন্য SMS লাগবে. সেটা আজকে থেকে শুরু হয়েছে এবং কতজন SMS পেয়েছে সেটা জানি না. এখন আমারটা আসার পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করছি যে SMS যদি আগের দিন ছোট্ট করে একটু জিজ্ঞেস করতে পারি, তার মানে কি এখানে কি টিকার যেহেতু সংক আছে, একটু কড়াকড়ি করার চেষ্টা করছে. স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়. একটু করা একটু একটু করাকরি করা, একটু চাপে রাখা, যাতে, যাদের SMS নাই, তারা ছাড়া যাতে অন্য কেউ, গিয়েই কাগজটা দিয়ে, পারে বা টিকাটা না নিতে, second লোক, যদি দোষ না নিতে পারে, এরকম বোধহয় বিষয়টা. তবে আ, প্রত্যাশা তো আমরা করতেই পারি, যে আমরা অন্য বলা হচ্ছে পৃথিবীর অনেক দেশ এই পর্যন্ত ভ্যাকসিন দিতে পারে নাই সেই জায়গায় আমরা ভ্যাকসিনটা দিয়ে ফেলেছি. প্রথম দোষ আমরা শেষ করেছি দ্বিতীয় rules আজকের থেকে শুরু হয়েছে সকল মানুষ টিকা পাক এটা প্রত্যাশা করি যে আমরা আমরা এই প্রত্যাশাটা ব্যবসাটা যাতে নির্দিষ্ট একটা কোম্পানির উপর না চলে যায় জনগণ যাতে priority পায়, ব্যবসাটা যাতে priority না পায় এই বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে একটু রাখার চেষ্টা করবে বা স্বচ্ছতা রাখবে সেটাই আমরা আশা করি, বিশেষ করে এই আ দূর্যোগ দূর বিপাকের দিনে, আমরা একটু আর একটু বিষয় নিয়ে একটু আলোচনা করতে চাই সমকাল যদি বলছে সালতার উসকানি ছিল আওয়ামী লীগ সালতার উস্কানি ছিল. আওয়ামী র একাংশেরও মামলা সহ চতুর্মুখী চাপে মামুন ও শিশু বক্তার বিয়ে নিয়েও ঘাপলা. এরকম আ সবগুলোই পত্রিকাতেই আছে আমি আরেকটু পড়তে চাই দেশ সুপ্রান্তর থেকে হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের ধরতে প্রধানমন্ত্রী সাই চেয়েছে পুলিশ. যে কোনো সময় গ্রেপ্তার হেফাজতদাতা মামুনুল, পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি করার নির্দেশ পুলিশ সদরদপ্তরের দুটোকে মিলিয়ে যদি একটু আপনি আলোচনাটা করেন আমাদের শেষ তিন মিনিট পাবো আমরা. আসলে দেখেন এই যে হেফাজতের যে নেতা যে যে কান্ডটি করেছেন সেটা আমরা যদি ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলার দিকে তাকাই ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলো আসলে আমার বিবেচনা এটা আমার ব্যক্তিগত বিবেচনা সেটা হল আমার বিবেচনায় ধর্মীয় রাজনৈতিক দল গুলা এটা একটা স্বর্ণলতার মতো তারা নিজেরা দাঁড়াতে পারে না তারা হয় BNP র উপর ভয় করতে হয় না হয় আওয়ামী লীগের উপর ভর করতে হয়. এই যে একটা অবস্থা আজকে আমরা ধর্মীয় রাজনৈতিক দল গুলা বাংলাদেশে যে বিস্তার ঘটছে এইটা কেউ না কেউ মরা তাদেরকে আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছি সেই কারণেই কিন্তু এই ঘটনাটা ঘটেছে হেফাজতের বিষয়টা কিন্তু একই একই অবস্থা. হেফাজত ছিল সরকারের আশ্রয়ের প্রশ্রয়ের একটি রাজনীতি সংগঠন. সে কারণেই সরকারের বিরুদ্ধে যত রকম ইসলামিক বিভিন্ন ইসলামিক আ অনুষ্ঠানে যত বক্তৃতা হয়েছে সরকারের বিরুদ্ধে প্রায় eighty percent বক্তৃতা হয়েছে হেফাজতের নেতা কর্মীদের দ্বারা. আপনার BNP পন্থী কোনো রাজনৈতিক নেতা যদি হেফাজতের বা কোনো ইসলামিক সংগঠনে ইসলামিক জলসা বক্তিতা করে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়ে যেত. তাই গ্রেফতার করা ইসলামিক জলসাগুলাতে যে সমস্ত বক্তৃতা হচ্ছে সেই বক্তৃতা গুলো monitoring পর্যন্ত নাই. যে সরকারের বিরুদ্ধে কি কি বক্তৃতা হচ্ছে? এখন বক্তৃতা হচ্ছে কেন? এখন বক্তৃতা হচ্ছে সরকারের ঘাড়ের ওপর পড়ে গেছে. যখন ঘাড়ের উপর বিষ বাস্প ফেলে, তখন হুঁশ হয়েছে হেফাজতের বিরুদ্ধে গত এই পর্যন্ত অনেকগুলো মামলা হয়েছে. মামলা অনেকগুলো মামলা হয়েছে. গতকাল রাতে হেফাজতের নেতা মামুনকে গ্রেফতার করা হবে এরকম একটা খবর কিন্তু মিডিয়াতে চাওর হয়ে গেছে. এবং মহম্মদপুরের হেফাজতের যে আস্তানা সেই আস্তানাই কিন্তু, খবর বিভিন্ন মিডিয়ার কর্মীরা অনেক রাত পর্যন্ত সে জায়গায় ছিল. তো মামলা হলে অন্যদের অন্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার সাথে সাথে গ্রেফতার করে তাদেরকে একদম ডিবিতে নিয়ে বা এমনি পুলিশ হেফাজতে নিয়ে ঐদিনই তাদেরকে কোর্টে নিয়ে দশ বারো দিনের রিমান্ড চেয়ে রিমান্ডে নিয়ে রিমান্ড শুরু হয়ে যায় কিন্তু আজকে এই ঘটনা যদি বিএনপি করতো বা অন্য রাজনৈতিক দল করতো. ইভেন সরকারের সাথে মোদিভাই আমাদের শেষ করতে হবে. সরকারের সাথে যুক্ত যা সৎ অথবা ম্যানেজমেন্ট পার্টি ওয়ার্কার্স পার্টিও তো করতো. তাও এই এরকম ছাড় পেতো না. সারটা দিতে ಧನ್ಯವಾದ দেখতে পান, আর দেখার আমন্ত্রণ রইলো, করোনা কালে মাস্ক পরে, শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে নিরাপদে থাকুন, আর RTV সঙ্গে থাকুন, ধন্যবাদ সবাইকে." />

আজ পত্রিকায় (০৮ এপ্রিল ২০২১)

Download MP4 SD 99.32MB
  • QR code for mobile device to download SD video

সরাসরি দেখছেন দৈনিক পত্রিকা নিয়ে আরটিভির নিয়মিত আয়োজন "আজ পত্রিকায়"
আরটিভি স্ট্রিম করুন: https://rtvplus.tv/play/livetv
আসলাম্মআলাইকুন. শুভ সকাল জানাচ্ছি সবাইকে আর আমন্ত্রণ জানাচ্ছি সংবাদ পর্যালোচনা ভিত্তিক নিয়মিত আয়োজন network টা আজ পত্রিক অনুষ্ঠানের সঙ্গে আছি আমি লুৎফুর রহমান. দর্শক এই অনুষ্ঠান এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা দেশের উল্লেখযোগ্য জাতীয় দৈনিকের অন্যতম শিরোনাম গুলো আপনাদের জানানোর চেষ্টা করি একই সঙ্গে খবরের পেছনে খবর ও তা নিয়ে বিশ্লেষণ শুনি. সংবাদ বিশ্লেষণে আজ আমাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রধান প্রতিবেদক মনিরুল ইসলাম. মঞ্জু ভাই আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি আমাদের অনুষ্ঠানে. ধন্যবাদ আপনাকে. দর্শক আমরা আলোচনায় যাবো তবে যাওয়ার আগে দেশের প্রধান কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের একটু দেখে নেব. ভয়াবহ রূপে নতুন ভেরিয়েন্ট স্বাস্থ্য বিধি মানতে হবে মানাতে হবে দ্রুত ফুসফুস সংক্রমিত হচ্ছে প্রয়োজন হচ্ছে অক্সিজেন দানে আছে প্রধানমন্ত্রীর ডিএইট শীর্ষ সম্মেলনে ভার্চুয়ালে অংশ নেবেন আজ তার ডানে অ্যাসে বাঘ যুদ্ধ আর সহিংসতায় উত্তেজনা তুঙ্গে মমতাকে ঠেকাতে মরিয়া মোদী অমিত সহিংসতা এ পর্যন্ত নিহত তিন ভোট এলেই পুলিশ BJP হয়ে যায় মমতার অভিযোগ মমতাকে EC এর শো cause তার নিচে আছে শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের তীব্র সংকট বিপুল ক্ষতির মুখে উদ্যোক্তারা জরুরি ব্যবস্থা নিতে তিতাসকে BTMA এর চিঠি. মাঠ প্রশাসনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে বলছে প্রথম আলো সরকারি কার্যালয়ে হামলা সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনায় UNO এবং AC land এর নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন জনপ্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা. ডনে একমাসে এত রোগী আগে বাড়েনি করোনা ভাইরাস প্রসঙ্গ, সংক্রমণের তেরোতম মাস পূর্ণ হচ্ছে আজ দেশের চৌষট্টি জেলার মধ্যে ছেচল্লিশটি জেলাই এখন সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে. বায়ে আছে নিহতের সংখ্যা নিহতের সংখ্যা কত তেরো পনেরো নাস হলো. ব্রাহ্মণবাড়িয়া হিংস্রতা. সরকারি হিসেবে তিনদিনে নিহত তেরো হেফাজতের তালিকায় পনেরো, দুই তালিকায় গড়মিল, চারজন, পরিবারগুলোর. পরিবারগুলোর দাবি, গুলিতে মারা গেছে সবাই. যুগান্তর বলছে, চব্বিশ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ চিহ্নিত, সাত হাজার ছয়শো ছাব্বিশ মৃত্যু, তেষট্টি, দেশের টানা চার দিন শনাক্ত, সাত হাজারের উপরে. তার দানে আছে স্বাস্থবিধি উপেক্ষার ভয়, উপেক্ষার ভয়ঙ্কর রূপে করোনা মধ্য এপ্রিলে আরো বাড়ার সংখ্যা highlights এ বলা হচ্ছে, দুরাবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে বান আসতে হলে আঠারো দফা আঠেরোর নির্দেশনা মানতে হবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছেন, দেশের এই মুহূর্তে সামগ্রিক পরিবেশ সংক্রমণ বৃদ্ধিতে সহায়ক অধ্যাপক নজরুল ইসলামের ভাষ্য. েন লকডাউনের তৃতীয় দিনে গণপরিবহন চালু ঢাকায় যাত্রী সংকট চট্টগ্রামে ভিড়. মোটর বাইক ছাড়া ওভারের রাইট শেয়ারিং চালু আজ মাস্ক পড়া ও সামরিক সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই. সমকাল অনিশ্চয়তা শুরু হচ্ছে টীকার. দ্বিতীয় ডোজ, আগেই বিকল্প উদ্যোগ প্রয়োজন ছিল মত বিশেষজ্ঞদের. নিচের পাশাপাশি আছে সাওথায় উস্কানি ছিল আওয়ামী লীগের একাংশেরও মামলাসহ চতুর্মুখী চাপে মামুনুল শিশু বক্তার বিয়ে নিয়েও ঘাপলা. কণ্ঠস্বাস্থ্য বিধি না মানলে বিপদ করোনা মোকাবিলায় নিজেকে নিজে সুরক্ষার প্রস্তুতি রাখতে হবে স্বাস্থবিধি মেনে চলা নিজ অবস্থানে নিজ অবস্থানে অবস্থান থেকে রাখতে হবে ভূমিকা জীবনের পাশাপাশি জীবিকাকেও গুরুত্ব দিতে হবে চার বিশেষজ্ঞ বলেছেন এসব কথা রোগী উপচে পড়ছে সব হাসপাতালে. হাইলেটসে বলা আছে বেশিরভাগ রোগীরই শ্বাসকষ্ট অনেককে ঘুরতে হচ্ছে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে চোদ্দই এপ্রিল মহামারীতে অ্যা মহাখালীতে দেড় হাজার bed কোভিড সেন্টার চালু হলে সংকট. কিছুটা কমবে হাসপাতালগুলোতে নিজস্ব অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের. সবচেয়ে বায়ে নীচের দিকে আছে. প্রতিবেদন প্রতিবেদনে বাংলাদেশ মত প্রকাশ ঠেকাতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ হচ্ছে. দেশ প্রান্তর দুহাজার কোভিড বেড বাড়ছে. তিন হাসপাতালে সতেরোশো বেড তিন বিশেষায়িত হাসপাতালে তিনশো bed, তিনটি ফিল্ড হাসপাতাল চালুর পরিকল্পনা শয্যার চেয়ে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের. তার ঠিক নিচে আছে হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের প্রধানমন্ত্রীর সাই চেয়েছে পুলিশ যে কোনো সময়ে গ্রেফতার হেফাজত নেতা মামুনুল পুরোনো মামলার নিষ্পত্তি করার নির্দেশ পুলিশ সদর দফতরের তার ডানে আছে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি মসজিদে নামাজের আগে পরে সবার সমাবেশ নয় সব শেষে daily estern লকডাউন এক্সিস্ট only on পেপার, নিচে আছে MTICO bed, hard disk to find তবে আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মানার কিন্তু আসলে বালাই নেই. গতকাল থেকে গণপরিবহন চালু হয়ে গেছে. সবগুলো বিষয়কে মিলিয়ে যদি আপনি একটু শুরু করেন. ধন্যবাদ আপনাকে. আসলে আমাদের বা বর্তমান যে অবস্থা সেই অবস্থা জীবন এবং জীবিকা. এটাই হলো রক্ষা করা এটাই হলো এখনকার আ সরকারের policy, যে জীবনটাও রক্ষা করতে হবে জীবিতও রক্ষা করতে হবে. এই policy কে কেন্দ্র করেই কিন্তু আমাদের শুরু হয়েছে. লকডাউন, লকডাউনকে আমরা আ খবরের কাগজে ভাষায় মিডিয়ার ভাষায় আমরা লকডাউন বলছি সরকার বলছে কঠোর বিধিনিষেধ বা কঠোর নিষেধাজ্ঞা. কিন্তু আমরা মজার ব্যাপার হলো কঠোরতা কোথাও দেখছি না. রাস্তাঘাটে বলেন, সরকারি অফিস-আদালতে বলেন বা জীবন জীবিকার সাথে সংশ্লিষ্ট যত জায়গায় আছে, কঠোরতা কোথাও দিচ্ছি না. কিন্তু আরেকটা বিষয় হল যে আমার সবকিছু কঠোর যদি আমি কঠোর অ্যা কঠোরতা দেখি কিন্তু এর মধ্যে আবার কলকারখানা সব চলবে. বাংলাকে ডেডমি বইমেলা চলবে দোকানপাট চলবে না গণপরিবহন চলবে না আজকে থেকে গণপরিবহন গতকাল থেকে গণপরিবহন চলছে এই যে একটু অবস্থা আসলে শৃঙ্খলা তো কোথাও নাই আমি যে কঠোর নিরাপত্তা কঠোর বিধিনিষেধের কথা বলছি সেইখানেও কিন্তু সুনির্দিষ্ট শৃঙ্খলা জায়গাটা নেই আমি কোনটাকে কঠোর বলবো কোনটাকে কঠোর বলবো না সেই জায়গাটাও নেই আমি বন পরিবহনের আমার অটো রিকশা চলছে রাইসিয়া over toober যা আছে সব চলছে শুধু মোটরসাইকেল টা চলবে না এইটা এইখানেও কিন্তু জীবন জীবিকার বিষয়, মোটরসাইকেলে যখন জীবন জীবিকার বিষয়টা আসছে, মোটরসাইকেলের উপর ভিত্তি করে কিন্তু বহু মানুষ বহু মানুষের জীবন জীবিকা এখন চলছে এটা একটা বিকল্প চাকরির মতো ব্যবসার মতো হয়ে গেছে. এই জায়গাটায় চলবে না. তো আপনি দেখেন যে জীবন জীবিকার প্রশ্ন গুলা সেই জায়গাটায় শৃঙ্খলিত না. প্রশ্নগুলো মানে আ যে বিধি বিধিনিষেধগুলো শৃঙ্খলিত না. সরকারী ভাবে সরকারেও এখন বলছে যে যেভাবে আক্রান্ত হচ্ছে এ আক্রান্ত যদি বাড়তে থাকে, সরকারের পক্ষে হাসপাতালের রোগী সং পূরণ করা সম্ভব না. এটা বাস্তব. বাংলাদেশের যে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে হাসপাতালের যে সক্ষমতা সেই সক্ষমতায় অন্যান্য রুগীর সাথে শুধু পর্নো রোগীকে হ্যান্ডেল করার সক্ষমতা বেড়েছে কিন্তু হাসপাতালের সক্ষমতা বেড়ে বাড়েনি. আমরা মার্চ মাসে March মাস থেকে শুরু করে গত বছরের মাঝখানের যে একটা বছর গেল, এই একটা বছর সময়ের মধ্যে অনেকগুলো হাসপাতালের যেগুলো কোভিডের, dedicated ছিল, এর মধ্যে পাঁচটা হাসপাতালের গড়ে কোভিড ডেডিকেশান কিন্তু তুলে দিয়ে আমরা হাসপাতাল, সাধারণ হাসপাতাল করে ফেলেছি. এখন আবার নতুন করে দুই একটা হাসপাতাল কি কোভিড হাসপাতাল করার চেষ্টা করা হচ্ছে, মহাখালীতে যে আইসোলেশন সেন্টারে যে টেস্টিং সেন্টারটা ছিল সেইটাকে হাসপাতাল করে দেড় হাজার বেডের হাসপাতাল বানানো হবে বলে এখন তোড়জোড় শুরু হয়েছে দু একদিনের মধ্যে হয়তো সেটা চালু হয়ে যাবে. মজার ব্যাপার হলো সবচেয়ে আ দুঃখজনক হলো যে আমাদের হসপিটাল গুলোতে একটা বছর সময়ের মধ্যে আ আইসিইউ বেড বাড়ানো হয়নি. Murd ইউনিট এর পুরে যাবে? কোথা থেকে? Ic bed পুড়ে গেছে, সেই জায়গায়ও কিন্তু সম্পদ আছে. একটা বছর সময়ের মধ্যে হাসপাতাল গুলোতে নিজস্ব অক্সিজেন গঠন করা হয়নি. যে কারণে এই সংকটটা বাড়ছে. এখন অক্সিজেনের যে উৎপাদন সেই উৎপাদনের এই অবস্থা যদি বাড়তে থাকে রোগী. অক্সিজেন দেওয়াটাও কিন্তু ডিফিকাল্ট হয়ে যাবে. সাধারণ মানুষের মধ্যে যে সচেতনতা থাকা উচিত ছিল, যে এইরকম একটা অসুখ এই ভাইরাস আক্রান্ত হলে আমি যেকোনো সময় আক্রান্ত হতে পারি এবং আক্রান্ত হলে আমি মরে যেতে পারি. আমার মৃত্যু অনিবার্য হতে পারে. সেই জায়গাটায় আমাদের ভয়ের মধ্যে ভয়ের কিছু দেখছি না কিন্তু. রাস্তাঘাটে আপনি বের হলে দেখবেন যে এই যে বলা হচ্ছে একদম প্রাথমিক যে শর্ত কথাটা বলা হচ্ছে যে মাস্ক পড়তে হবে সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করে চলতে হবে. মাস্ক পরে মাস্ক পরে আবার মাস্কটা নাক এবং মুখ মুখটাকে খুলে রাখা হয়. কেউ বলে যে এটা গরম লাগছে. আম্মু আমরা গত কয়েকদিন যাবৎ মোবাইল এবং পুলিশের যে তৎপরতা আমরা দেখছি তাতে দেখা যাচ্ছে যে কেউ যদি. মার্কস নেয় বলা হয়. যেহেতু মাস্কটা পকেটে আছে পড়তে ভুলে গেছি. কেউ বলে লাগিয়ে এর জন্য খুলে ফেলেছি. কেউ বলে বাসায় ছিল এটা আনতে ভুলে গেছি. নানা রকম অজুহাত. আমি মো, আমি মরে যাবো আক্রান্ত হলে. আমি আমার মৃত্যু অনিবার্য, এটা জানার পরেও যখন আমি ব্যক্তি পর্যায়ে মাস্ক পরার বিষয়টাকে এত প্রাইমারি ভাবে চিন্তা করি এত অ্যা তৃণমূল পর্যায়ে যদি আমরা চিন্তা করি যে একদম গ্রাম পর্যায়ে গ্রাম পর্যায়ে যাই হোক, গ্রাম পর্যায়ে গ্রামে এখন পর্যন্ত গ্রামে সেভাবে আক্রান্তের বিষয়টা নেই. কিন্তু শহরের যে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ তাদের থেকে করে উচ্চ পর্যায়ে সবার মধ্যেই কিন্তু মাস্ক পড়ার মধ্যে কারো মধ্যে ইতিমধ্যে এক বছরে কেউ ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে গেছে. কেউ আবার ব্যবহার কখনো কখনো করে, কখনো কখনো. এই অবস্থায় কিন্তু আজকে, আজকে বৃহস্পতিবার কিন্তু আরেকটি নির্দেশনা আসার কথা যেহেতু আ আগামী রোববারে এর সাতদিন শেষ হচ্ছে. আজকে আপনার কাছে কি মনে হয়? কি ধরনের নির্দেশনা আসতে পারে? এখন যে অবস্থা চলছে তাতে তো আসলে লকডাউনের লেশমাত্র আমরা দেখতে পাচ্ছি না. সবকিছুই মোটামুটি চলছে. শুধুমাত্র স্কুল, কলেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর মার্কেটগুলি একটু বন্ধ আছে. আর আপনি যেটা বলেছেন কি হবে জানি তবে আমার মনে হচ্ছে যে আজকে হয়তো আ দোকান টোকান খুলে দেওয়ার একটা ব্যবস্থা হয়ে যেতে পারে. দোকান টোকান খুলে দেওয়ার যদি সরকারি ভাবে কোনো ব্যবস্থা না হয় তবে ব্যাবসায়ীদের যে অবস্থা যেভাবে তারা রাস্তায় নামছে সারা দেশে তাতে কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্ত অমান্য করেই দোকানপাট খুলে যাবে. এই জন্য খুলে যাবে গত বছরও কিন্তু এই ব্যবসায়ীরা ঈদের আগে কোনো ব্যবসা করতে পারে নাই. একটা বছর দোকান পাঠ বন্ধ ছিল, ব্যবসা হয় নাই. এবারও যখন দোকানপাটের মালটা লুঠিয়ে, রেডি হয়েছে ঈদের জন্য, তখনও কিন্তু আবার অনেক কসরা চলে আসছে মার্কেট রেটের সব বন্ধ হয়ে গেছে. এই জায়গাটায়ও কিন্তু জীবন জীবিকার প্রশ্ন নিয়ে আছে. ফ্যাক্টরি যদি চলতে পারে, কলকারখানা সবই যদি চলতে পারে গণপরিবহন যদি চলতে পারে বইমেলা যদি চলতে পারে তখন মার্কেট খোলা নিয়েও কিন্তু তারা এখন আর মানবে না. সুতরাং সবকিছু এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যদি আমি জীবন জীবি, জীবন জীবিকাটাকে সামনে রাখি, জীবন জীবিকা কিন্তু সবার জন্যই, আজকে দেখেন রেস্তোরাঁ রেস্তোরাঁর যেই বিষয়টা আছে রেস্তোরাঁ থেকে আপনে আ খাবার নিতে পারবেন, কিন্তু রেস্তোরাঁ থেকে বসে খেতে পারবেন না, বহু রেস্তোরাঁ সেটা মানছে না, তার পাশাপাশি বহু রেস্তোরায় যারা খাবার পরিবেশন করত, বয়-বেয়ারার এই জাতীয় কাজ যারা করতো, তারা কিন্তু বেকার হয়ে গেছে, তাদের কিন্তু চাকরি চলে গেছে. যার যার মত, বাড়ি চলে গেছে. তো সরকারের আসলে একা একক সিদ্ধান্ত নিয়া বা শুধু বিধি নিষেধ দিয়া বর্তমান অবস্থা বা বর্তমান অবস্থার মোকাবিলা করা সম্ভব নয়. যদি ব্যক্তি পর্যায়ে আমরা সবাই সচেতন না হই, যদি ব্যক্তি পর্যায়ে আমি মার্কস আপনার কাছে কি মনে হয় যে এই লকডাউন আ দেওয়ার আগে কি আরো বেশি চিন্তাভাবনা করে, আরো বেশি গবেষণা করে আরো পরিকল্পিতভাবে কি আসলে ব্যাবস্থাগুলি আ নেওয়া উচিত ছিল কিনা? একটু বেশি তাড়াহুড়া হয়ে গিয়েছে কিনা সিদ্ধান্ত গ্রহণ না তাড়াহুড়োটা হয়নি বরং বিলম্বিত হয়েছে বিলম্বিত হয়েছে না আমি বলতাছি তারা যে প্রজ্ঞাপনটা জারি করেছে সরকারের পক্ষ থেকে যে প্রোগ্রামটা সেইখানে কি তারা হুড়ার কোনো বা অসামঞ্জস্যের কোন ছাপ আপনি দেখতে পান কিনা যে চিন্তা ভাবনার কিছু আসলে আ আরেকটু হয়তো সামান্য হীনতা ছিল, আরেকটু হয়তো চিন্তা ভাবনা করে আসলে decision গুলো দেওয়ার উচিত ছিল. এরকম আপনার জি. এই March এর আগের March, মানে এক বছর আগের March, দুই হাজার বিশের যে March. সেই March এও কিন্তু আ সতেরো তারিখ পর্যন্ত নিয়া প্রশাসন সভায় ব্যস্ত ছিল. এই মার্চেও কিন্তু ছাব্বিশে মার্চ পর্যন্ত এই এইটা নিয়েই মুজিবর কর্মসূচীর স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী দিনে সবাই ব্যস্ত ছিল. আসলে তারা তো সরকারের মধ্যে সবাই তো জানছে যে ভিতরে ভিতরে কি হচ্ছে কি পরিমান করোনা আক্রান্ত হচ্ছে কেমন বাড়ছে ছাব্বিশ তারিখ পর্যন্ত সেটা প্রকাশ্যে আসেনি. ছাব্বিশ তারিখের পরে সুবর্ণ জয়ন্তী এবং সভা এবং বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীর প্রোগ্রাম যখন চলে গেল, তখন সরকারের মধ্যে চিন্তা আসলো যে এইটা নিয়ে আসলে এই মুহুর্তে, এখন ভাবা এখন ভাবা দরকার. কর্মসূচি শেষ. এখন ভাবা দরকার. এই ভাবতে গিয়ে এই আ তাড়াহুড়া আমি বলবো না সমন্বয়হীনতার কাজটি হয়নি. সমন্বয়হীনতার কাজটি এই জন্য হয়নি কারণ মাঠের যারা ওই meeting এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে Cabinet থেকে যদি নেতৃত্বে যে ভার্চুয়াল মিটিং টা হয়েছে ওই মিটিংয়ে যারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা সবাই সরকারের সচিব সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা IGP এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন যে সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারা. সেখানে একজন মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা যারা ইয়েনো আছে যারা DC আছে যারা যারা বিভাগীয় কমিশনার আছে সচিবরা যতটা জানেন বা দেখেন একজন ENO একজন DC, একজন জেলা প্রশাসন, মাঠে practically তারা কিন্তু বেশি জানেন, বেশি বোঝেন. আর বাদটা তাদের কাছে. ফোনে জেনে নেওয়া আর practically জেনে নেওয়ার মধ্যে difference আছে. সেই জায়গাটায় আমি মনে করব যে সমন্বিত উদ্যোগটা সেই জায়গাটা চিন্তা করা হয়নি. একটা লকডাউন দিয়ে দিল. আগের থেকে বলা হলো যেটা আপনি নিশ্চয়ই মনে আছে. আগের দিন সকল মন্ত্রী সকল মন্ত্রী বিশেষ করে আমাদের আ সড়ক ও সেতু মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং জন প্রশাসন মন্ত্রী. তারা যখন brief করলেন, তখন তারা যখন meeting এ গেলেন. তখন কিন্তু তারা বললেন যে তারা লকডাউনে যাচ্ছেন. ঠিক তার একদিন পরে একদিন পরে ক্যাবিনেট মিটিং যখন হল ক্যাবিনেট মিটিংএ জনপ্রিয় সেক্রেটারি বললেন যে এটা লকডাউন শব্দ আমরা ব্যবহার করিনি. করেছি কঠোর নিষেধাজ্ঞা. লকডাউন শব্দ কিন্তু চলে গেল, কঠোর নিষেধাজ্ঞা চলে আসবে. কিন্তু মিডিয়াতে আমরা এবং সাধারণ মানুষ আমরা কিন্তু লকডাউনে অভ্যস্ত বলে কঠোর বিধি নিষেধ আপনি যখন বলবেন, তখন সাধ্যগত পরিবর্তন হবে করার character টা একই. এখন একটা বিষয় হচ্ছে যে এখন বর্তমান সময় যেমন এই গত বারো চোদ্দ বছরে বিরোধী দলের হরতাল দেখলা যেমন ঢিলেঢালা হরতাল হয়, হরতালের নামে নামে শুধু ঢিলেঢালার কর্মসূচি পালিত হয়. ঠিক এখনও লকডাউন বা কঠোর বিধিনিষেধ সেইটাও কিন্তু ঢিলেঢালা ভাবেই হচ্ছে. ঢিলেঢালা ভাবে যখন হবে এই জাতীয় কর্মসূচি তখন মানুষ কিন্তু কিছু মানবে না. মানুষকে আসলে মানানোর একটা বিষয় ছিল আমরা কিন্তু এখন বানানো তো আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কাউকে তেমন ভাবে সক্রিয়তা দেখিনি. তার আগে আমরা যেটা দেখেছি লকডাউন কঠোর কর্মসূচির আগে তারা কিছু মাস্ক বিতরণ করেছেন রাস্তায় নেমে. এটাতে আসলে কতটা কি হয়েছে সেটা আমরা সবাই অ্যা দেখতে পাচ্ছি. যে আমরা একটি বিরতি নিয়ে তারপর আপনার কাছে আসব. সেখানে আমরা টিকার প্রসঙ্গটি নিয়ে আলোচনা করব. আজ থেকে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় দোস সেই প্রসঙ্গটি নিয়ে আমরা আলোচনা করব. দর্শক সময় হলো একটি বিরতির. আরো আলোচনা নিয়ে ফিরছি একটু পরেই. আশা করি আমাদের সঙ্গে থাকবেন. মানুষের জীবন কি গল্পের মত? আমার জীবনে আমি যা চেয়েছি. আমি অর্জন করেছি, না দোষ ছিনিয়ে এনেছি. এলাকায় কোন নতুন সুন্দরী মায়া আসলে তোর লিস্টের মধ্যে অটো আপডেট কইরা দিবি. তুই তো একটা পেট্রোল, তুই তো একটা ফিল্ম চোর. ওই লোকটাকে থাপ্পড় মারলা কেন? ছমাস থেকে ধরবো ওইটাকে চাপা. আব্বা? বৌ এর office এ আগুন নিয়ে চাকরি পাওয়ার তো ঠিক হবে না. Oh my god feam জামাই গাড়ির সাথে কিনে নিয়ে আইছে. আমার স্বামীকে বিয়ে করে, আমাকে মা ডাকা হচ্ছে না? প্রত্যেক বছর আমাদের একটা দিন আসে. আমি আমার পুরোটা জীবন তোমাকে দিয়ে দেবো. তুমি শুধু তোমার জীবন থেকে দুটো বছর আমাকে দাও. খালি চোখে যা দেখা যায় তা কিন্তু সব সময় ঠিক নেই. যার ভালোবাসা নিয়ে খেলা করে, তারা কখনো সত্যিকারের ভালোবাসা পায় না. আমি কথা বলবো না. আরে বাবা এটা খাওয়ার সময় আমার মেয়ে মানুষের সঙ্গপ্রয়োজন হয়. ভয়ে মারতে হবে নয়তো মোর হতে হবে সবাই ওই লোকটাকে থাপ্পড় মারলা কেন? ছমাস থেকে ধরবো ওইটাকে চাপা. আপা? বৌয়ের office এ হাত তুললে চাকরি পাওয়ার তো ঠিক হবে না. Oh my গাড়ির সাথে কিনে নিয়ে আইসে. আমার স্বামীকে বিয়ে করে আমাকে মা ডাকা হচ্ছে মা? প্রত্যেক বছর আমাদের একটা দিন আসে. আমি আমার পুরোটা জীবন তোমাকে দিয়ে দেবো. তুমি শুধু তোমার জীবন থেকে দুটো বছর আমাকে দাও. খালি চোখে যা দেখা যায় তাকে তো সবসময় ঠিক নেই. যারা ভালোবাসা নিয়ে খেলা করে, তারা কখনো সত্যিকারের ভালোবাসা পায় না. মদ খাবো না. আরে বাবা এটা খাওয়ার সময় আমার মেয়ে মানুষের সঙ্গ প্রয়োজন হয়. ভয়ে মারতে হবে নয়তো মোর য়ী মজুদ আছে ছেচল্লিশ লাখ একত্রিশ হাজার দুইশ সাতানব্বই ডোজ ঘাটতি আছে নয় হাজার নয় লাখ সাইতিরিশ হাজার চারশো ছয় ডোজ এই অবস্থায় ভারত টিকা রপ্তানি আপাতত বন্ধ রেখেছে আপনার কাছে কি মনে হয়? এই dose দিতে দিতে সবাই পাবে কিনা শেষ পর্যন্ত কি আমরা বিদেশ থেকে আনতে পারবো কিনা বা আমাদের কি পরিকল্পনা আছে বা হওয়া উচিত. ছোট্ট করে যদি আলোচনাটা করেন আমরা আসলে প্রত্যাশা রাখি যে আমরা সবাই টিকা পাবো. এরকম একটা প্রত্যাশা আমরা মানে রাখি. বাস্তবতা যে বিষয়টা সেটা হলো যে, আমরা সেরামের বাইরে অন্য কোনো সূত্রের দিকে কিন্তু এই পর্যন্ত তাকায়নি. সেরামের সাথে ভ্যাকসিন পো এবং সেরাম, সরকার মিলে একটা ট্রাইএঙ্গেলটি যেটা হলো, স্ট্রিট ত্রিপক্ষ ত্রিপক্ষ যেই টিটিতে যেটা গেল সেটা কিন্তু আসলে আ বিশেষজ্ঞরা বলছে এবং এই সেক্টরে যারা কাজ করে তাঁরা বলছে যে আসলে আ দেশের মানুষের স্বার্থ দেশের টিকা দেওয়ার বিষয়টার পাশাপাশি সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, ভ্যাকসিন পোর ব্যবসা. এর বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা এবং এই সেক্টরে যারা কাজ করে তাদের বক্তব্য যে ভ্যাকসিম্পল ব্যবসাকেই গুরুত্ব দেওয়ার কারণে আসলে সরকার অন্য কোনো sector এ অন্য কোনো সোর্সের দিকে এমনি মুখে বলেছে যে আমরা বিভিন্ন অন্যান্য সূত্র থেকে টিকা না আর ভ্যাকসিন আনার জন্য আমরা চেষ্টা করছি কিন্তু সেই চেষ্টাটা অনেকটাই দায়সারা ভাবে করা সেকারণেই আমাদের অন্য কোনো সূত্র থেকে আমাদের ভেক্সিন আনার এখন পর্যন্ত কোনো cheque মানে সে অর্থে কাগজে কলমে আ কোনো output নাই. এখন আমাদের সেরামটাই হলো একমাত্র ভরসা. সেরম একটি কাজ থেকে শুরু হচ্ছে কিন্তু জানিনা এই system টা যেটা করা হয়েছে যে অবশ্যই আপনাকে আমি বা SMS আসতে হবে. আপনার ticket dose যে আজকে যে আপনি দিবেন আপনাকে SMS আসতে হবে, SMS টা দেখাতে হবে. এইটা মাস পরে আমার date ছিল. আমি ওই সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের আমার পরিচিত আ ডাক্তারদের সাথে ডাক্তারের সাথে কথা বলেছি. উনি আমাকে জানালেন যে না আপনাকে দুই মাস পরে আসতে হবে এবং আপনার একটা SMS যাবে. SMS ছাড়া আইসেন না. তো এখন নিয়ম করেছে যে দ্বিতীয় dose এর জন্য SMS লাগবে. হ্যাঁ, দ্বিতীয় dose এর জন্য SMS লাগবে. সেটা আজকে থেকে শুরু হয়েছে এবং কতজন SMS পেয়েছে সেটা জানি না. এখন আমারটা আসার পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করছি যে SMS যদি আগের দিন ছোট্ট করে একটু জিজ্ঞেস করতে পারি, তার মানে কি এখানে কি টিকার যেহেতু সংক আছে, একটু কড়াকড়ি করার চেষ্টা করছে. স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়. একটু করা একটু একটু করাকরি করা, একটু চাপে রাখা, যাতে, যাদের SMS নাই, তারা ছাড়া যাতে অন্য কেউ, গিয়েই কাগজটা দিয়ে, পারে বা টিকাটা না নিতে, second লোক, যদি দোষ না নিতে পারে, এরকম বোধহয় বিষয়টা. তবে আ, প্রত্যাশা তো আমরা করতেই পারি, যে আমরা অন্য বলা হচ্ছে পৃথিবীর অনেক দেশ এই পর্যন্ত ভ্যাকসিন দিতে পারে নাই সেই জায়গায় আমরা ভ্যাকসিনটা দিয়ে ফেলেছি. প্রথম দোষ আমরা শেষ করেছি দ্বিতীয় rules আজকের থেকে শুরু হয়েছে সকল মানুষ টিকা পাক এটা প্রত্যাশা করি যে আমরা আমরা এই প্রত্যাশাটা ব্যবসাটা যাতে নির্দিষ্ট একটা কোম্পানির উপর না চলে যায় জনগণ যাতে priority পায়, ব্যবসাটা যাতে priority না পায় এই বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে একটু রাখার চেষ্টা করবে বা স্বচ্ছতা রাখবে সেটাই আমরা আশা করি, বিশেষ করে এই আ দূর্যোগ দূর বিপাকের দিনে, আমরা একটু আর একটু বিষয় নিয়ে একটু আলোচনা করতে চাই সমকাল যদি বলছে সালতার উসকানি ছিল আওয়ামী লীগ সালতার উস্কানি ছিল. আওয়ামী র একাংশেরও মামলা সহ চতুর্মুখী চাপে মামুন ও শিশু বক্তার বিয়ে নিয়েও ঘাপলা. এরকম আ সবগুলোই পত্রিকাতেই আছে আমি আরেকটু পড়তে চাই দেশ সুপ্রান্তর থেকে হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের ধরতে প্রধানমন্ত্রী সাই চেয়েছে পুলিশ. যে কোনো সময় গ্রেপ্তার হেফাজতদাতা মামুনুল, পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি করার নির্দেশ পুলিশ সদরদপ্তরের দুটোকে মিলিয়ে যদি একটু আপনি আলোচনাটা করেন আমাদের শেষ তিন মিনিট পাবো আমরা. আসলে দেখেন এই যে হেফাজতের যে নেতা যে যে কান্ডটি করেছেন সেটা আমরা যদি ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলার দিকে তাকাই ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলো আসলে আমার বিবেচনা এটা আমার ব্যক্তিগত বিবেচনা সেটা হল আমার বিবেচনায় ধর্মীয় রাজনৈতিক দল গুলা এটা একটা স্বর্ণলতার মতো তারা নিজেরা দাঁড়াতে পারে না তারা হয় BNP র উপর ভয় করতে হয় না হয় আওয়ামী লীগের উপর ভর করতে হয়. এই যে একটা অবস্থা আজকে আমরা ধর্মীয় রাজনৈতিক দল গুলা বাংলাদেশে যে বিস্তার ঘটছে এইটা কেউ না কেউ মরা তাদেরকে আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছি সেই কারণেই কিন্তু এই ঘটনাটা ঘটেছে হেফাজতের বিষয়টা কিন্তু একই একই অবস্থা. হেফাজত ছিল সরকারের আশ্রয়ের প্রশ্রয়ের একটি রাজনীতি সংগঠন. সে কারণেই সরকারের বিরুদ্ধে যত রকম ইসলামিক বিভিন্ন ইসলামিক আ অনুষ্ঠানে যত বক্তৃতা হয়েছে সরকারের বিরুদ্ধে প্রায় eighty percent বক্তৃতা হয়েছে হেফাজতের নেতা কর্মীদের দ্বারা. আপনার BNP পন্থী কোনো রাজনৈতিক নেতা যদি হেফাজতের বা কোনো ইসলামিক সংগঠনে ইসলামিক জলসা বক্তিতা করে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়ে যেত. তাই গ্রেফতার করা ইসলামিক জলসাগুলাতে যে সমস্ত বক্তৃতা হচ্ছে সেই বক্তৃতা গুলো monitoring পর্যন্ত নাই. যে সরকারের বিরুদ্ধে কি কি বক্তৃতা হচ্ছে? এখন বক্তৃতা হচ্ছে কেন? এখন বক্তৃতা হচ্ছে সরকারের ঘাড়ের ওপর পড়ে গেছে. যখন ঘাড়ের উপর বিষ বাস্প ফেলে, তখন হুঁশ হয়েছে হেফাজতের বিরুদ্ধে গত এই পর্যন্ত অনেকগুলো মামলা হয়েছে. মামলা অনেকগুলো মামলা হয়েছে. গতকাল রাতে হেফাজতের নেতা মামুনকে গ্রেফতার করা হবে এরকম একটা খবর কিন্তু মিডিয়াতে চাওর হয়ে গেছে. এবং মহম্মদপুরের হেফাজতের যে আস্তানা সেই আস্তানাই কিন্তু, খবর বিভিন্ন মিডিয়ার কর্মীরা অনেক রাত পর্যন্ত সে জায়গায় ছিল. তো মামলা হলে অন্যদের অন্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার সাথে সাথে গ্রেফতার করে তাদেরকে একদম ডিবিতে নিয়ে বা এমনি পুলিশ হেফাজতে নিয়ে ঐদিনই তাদেরকে কোর্টে নিয়ে দশ বারো দিনের রিমান্ড চেয়ে রিমান্ডে নিয়ে রিমান্ড শুরু হয়ে যায় কিন্তু আজকে এই ঘটনা যদি বিএনপি করতো বা অন্য রাজনৈতিক দল করতো. ইভেন সরকারের সাথে মোদিভাই আমাদের শেষ করতে হবে. সরকারের সাথে যুক্ত যা সৎ অথবা ম্যানেজমেন্ট পার্টি ওয়ার্কার্স পার্টিও তো করতো. তাও এই এরকম ছাড় পেতো না. সারটা দিতে ಧನ್ಯವಾದ দেখতে পান, আর দেখার আমন্ত্রণ রইলো, করোনা কালে মাস্ক পরে, শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে নিরাপদে থাকুন, আর RTV সঙ্গে থাকুন, ধন্যবাদ সবাইকে.

Posted 9 days ago in Social Issues